মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ

টাঙ্গাইলের দর্শনীয় স্থান

জমিদার বাড়ি, প্রাচীন মসজিদ, শালবন আর যমুনার তীর — ঘুরে আসুন টাঙ্গাইল।

ভ্রমণ গাইড: এক দিনের রুট ও সেরা সময়

দর্শনীয় স্থানের তালিকা

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল
ঐতিহাসিক স্থাপনা•ধনবাড়ী

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল ও মসজিদ

ধনবাড়ী উপজেলা সদরে নওয়াব আলী চৌধুরীর পারিবারিক প্রাসাদ, ৩০ বিঘার দিঘি আর চিনিটিকরি মোজাইকের তিন গম্বুজ মসজিদ—একদিনে ঘুরে আসার মতো ঐতিহ্য।

পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি, নাগরপুর
ঐতিহাসিক স্থাপনা•নাগরপুর

পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি

নাগরপুরের পাকুটিয়ায় ধলেশ্বরীর তীরে একই নকশার তিনটি প্রাসাদ নিয়ে গড়া জমিদার বাড়ি; নারীমূর্তি আর লতাপাতার অলংকরণ দেখতে আসেন অনেকে।

মহেড়া জমিদার বাড়ির প্রাসাদের সম্মুখভাগ, মির্জাপুর
ঐতিহাসিক স্থাপনা•মির্জাপুর

মহেড়া জমিদার বাড়ি

মির্জাপুরের মহেড়ায় ১৮৯০ সাল নাগাদ গড়া সাহা জমিদারদের প্রাসাদ — চার লজ, বিশাখা সাগর দিঘি আর বাগান; এখন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের ভেতরে।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•নাগরপুর

উপেন্দ্র সরোবর (বারো ঘাটলা দিঘি)

নাগরপুরে চৌধুরী বাড়ির দক্ষিণে প্রায় ১১ একরের জমিদার আমলের দিঘি; চারপাশে ১২টি বাঁধানো ঘাট বলে লোকমুখে বারো ঘাটলা দিঘি—বিকেলে বেড়ানোর শান্ত জায়গা।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•ভূঞাপুর

ঐতিহাসিক জাহাজমারা (সিরাজকান্দি)

ভূঞাপুরের সিরাজকান্দিতে ধলেশ্বরীর তীরে ১৯৭১ সালের আগস্টে কাদেরিয়া বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর অস্ত্রবাহী দুটি জাহাজ ধ্বংস করে; মুক্তিযুদ্ধের স্মরণীয় স্থান।

করটিয়া জমিদার বাড়ি (পন্নী পরিবারের প্রাসাদ)
ঐতিহাসিক স্থাপনা•টাঙ্গাইল সদর

করটিয়া জমিদার বাড়ি

টাঙ্গাইল সদরের করটিয়ায় পন্নী জমিদারদের প্রাচীরঘেরা বাড়ি; আছে রোকেয়া মহল, লোহার ঘর, দাউদ মহল আর সা'দত কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চাঁদ মিয়ার স্মৃতি।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•সখিপুর

কাদেরিয়া বাহিনীর শপথ স্তম্ভ, বহেড়াতৈল

সখিপুরের বহেড়াতৈল বাজারের পাশে কাদেরিয়া বাহিনীর শপথ স্তম্ভ; এখানে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করার শপথ নিতেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•মির্জাপুর

কুমুদিনী কমপ্লেক্স ও ভারতেশ্বরী হোমস, মির্জাপুর

মির্জাপুরে লৌহজংয়ের তীরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার গড়া কুমুদিনী হাসপাতাল ও ভারতেশ্বরী হোমস—সেবা, নারীশিক্ষা আর মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী এক ঐতিহাসিক চত্বর।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•নাগরপুর

গয়হাটার মঠ

নাগরপুরের গয়হাটায় ১৮৮২ সালে জমিদার কালী কুমার সেন চৌধুরীর গড়া সুউচ্চ সমাধি-মঠ, তাঁর পালক মা উদয়তারা চৌধুরানীর স্মরণে; এখনো এখানে পূজা হয়।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•নাগরপুর

ঘোড়ার দালান

নাগরপুর চৌধুরী বাড়ির অংশ এই কারুকাজ করা দালান জমিদারদের ঘোড়া ও সহিসদের থাকার জন্য তৈরি — চৌধুরী বাড়ি দেখার সময় একসঙ্গে দেখা যায়।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•ভূঞাপুর

ছাব্বিশা গণহত্যা স্মৃতিস্থান

ভূঞাপুর সদরের প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ছাব্বিশা গ্রাম; ১৯৭১ সালের ১৭ নভেম্বর এখানে মুক্তিযুদ্ধের সংঘর্ষ ও পরে গণহত্যা হয়।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•দেলদুয়ার

দেলদুয়ার জমিদার বাড়ি (নর্থ হাউজ)

দেলদুয়ারে গজনবী লোহানি পরিবারের দেয়ালঘেরা একতলা জমিদার বাড়ি 'নর্থ হাউজ'; পারিবারিক কবরস্থান, মসজিদ ও আমবাগানে ঘেরা ঔপনিবেশিক স্থাপনা।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•ঘাটাইল

ধলাপাড়া চৌধুরীবাড়ী ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ

ঘাটাইলের ধলাপাড়ায় বংশাই নদীর কাছে চৌধুরী পরিবারের দুশো বছরের পুরোনো বাড়ি, আটচালা কাচারি ঘর ও ১৩২৩ বঙ্গাব্দে গড়া কারুকার্যময় জামে মসজিদ।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•বাসাইল

নথখোলা স্মৃতিসৌধ

বাসাইলের কাশিল ইউনিয়নে ঝিনাই নদীর নথখোলা সেতুর পাদদেশে ১৯৭১ সালের কামুটিয়া প্রতিরোধযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।

নাগরপুরের চৌধুরী বাড়ি (জমিদার বাড়ি)
ঐতিহাসিক স্থাপনা•নাগরপুর

নাগরপুর জমিদার বাড়ি (চৌধুরী বাড়ি)

নাগরপুর সদরে ৫৪ একরজুড়ে গড়া চৌধুরী জমিদারদের বাড়ি — শ্বেতপাথরের মূল ভবনে এখন মহিলা কলেজ, পাশে ঘোড়ার দালান, ঝুলন দালান ও উপেন্দ্র সরোবর।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•টাঙ্গাইল সদর

বধ্যভূমি, টাঙ্গাইল শহর (পানির ট্যাংক সংলগ্ন)

টাঙ্গাইল শহরে জেলা প্রশাসনের উত্তরে পানির ট্যাংকের পাশে ১৯৭১-এর বধ্যভূমি ও স্মৃতিস্তম্ভ, যেখানে জাতীয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•নাগরপুর

বনগ্রাম গণকবর স্মৃতিসৌধ

নাগরপুরের গয়হাটা ইউনিয়নের বনগ্রামে ১৯৭১ সালের ২৫ অক্টোবর পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় নিহত শহীদদের গণকবর ও স্মৃতিসৌধ।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•মধুপুর

ভগবৎ দত্তের দিঘি, শোলাকুড়ি

মধুপুর গড়ের শোলাকুড়ি গ্রামে সুলতানি আমলের সামন্ত রাজা ভগবৎ দত্তের নামে পরিচিত বিশাল দিঘি; পাড়ের প্রাচীন মন্দিরে বৈশাখী পূর্ণিমায় শিবপূজা ও মেলা হয়।

সন্তোষে মওলানা ভাসানীর মাজার
ঐতিহাসিক স্থাপনা•টাঙ্গাইল সদর

মওলানা ভাসানীর মাজার, সন্তোষ

টাঙ্গাইল শহরের উত্তর-পশ্চিমে সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সমাধি, পাশেই ঐতিহাসিক দরবার হল ও পীর শাহ জামান দিঘি।

ঐতিহাসিক স্থাপনা•টাঙ্গাইল সদর

সরকারি সা'দত কলেজ, করটিয়া

১৯২৬ সালে ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর প্রতিষ্ঠিত করটিয়ার সা'দত কলেজ, যাকে 'বাংলার আলীগড়' বলা হয়। প্রায় শতবর্ষী এই ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্পাস টাঙ্গাইল সদরে।

সাগরদিঘি
ঐতিহাসিক স্থাপনা•ঘাটাইল

সাগরদিঘি

ঘাটাইলের সাগরদিঘি ইউনিয়নের ১২.৮০ একরের প্রাচীন দিঘি; স্থানীয় পাল বংশীয় সাগর রাজা খনন করেন বলে জানা যায়, পশ্চিম পাড়ে ঘাটের ধ্বংসাবশেষ।

হেমনগর জমিদার বাড়ি (রাজবাড়ি), গোপালপুর
ঐতিহাসিক স্থাপনা•গোপালপুর

হেমনগর জমিদার বাড়ি

গোপালপুরের হেমনগরে ১৮৯০ সালে জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরীর গড়া দোতলা প্রাসাদ, ছাদের দুই পরীর ভাস্কর্যে যার ডাকনাম 'পরীর দালান'—জীর্ণ হলেও কারুকাজে মুগ্ধ করে।