টাঙ্গাইলের উপজেলাসমূহ
১২টি উপজেলার পরিচিতি, প্রতিষ্ঠান, দর্শনীয় স্থান আর জরুরি নম্বর।
জেলার প্রশাসনিক, শিক্ষা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র। মওলানা ভাসানীর সমাধিস্থল সন্তোষ, করটিয়া জমিদার বাড়ি, সরকারি সা'দত কলেজ এবং পোড়াবাড়ির চমচমের জন্য পরিচিত।
জেলা সদরের উত্তরে অবস্থিত উপজেলা। এখানকার এলেঙ্গা ঢাকা থেকে যমুনা সেতু হয়ে উত্তরাঞ্চলে যাওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল।
জেলার উত্তরাংশের উপজেলা। ১৮৯০ সালে নির্মিত হেমনগর জমিদার বাড়ি (‘পরীর দালান’) এবং ২০১ গম্বুজ মসজিদের জন্য পরিচিত।
আয়তনে জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলা। মধুপুর গড়ের লালমাটির উঁচু ভূমি, বনাঞ্চল এবং ঘাটাইল সেনানিবাসের জন্য পরিচিত।
জেলা সদরের দক্ষিণে অবস্থিত উপজেলা। মোগল আমলের আতিয়া মসজিদ এবং টাঙ্গাইল শাড়ির অন্যতম প্রধান বয়নকেন্দ্র পাথরাইলের জন্য পরিচিত।
ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল ও ঐতিহাসিক ধনবাড়ী মসজিদের জন্য পরিচিত। ২০০৬ সালে মধুপুর উপজেলা ভাগ করে এই উপজেলা গঠিত হয়।
জেলার দক্ষিণ প্রান্তের উপজেলা। একই নকশার তিনটি প্রাসাদের জন্য খ্যাত পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক স্থাপনা।
জেলা সদরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত কৃষিপ্রধান উপজেলা, আয়তনে জেলার ছোট উপজেলাগুলোর একটি।
যমুনা নদীর পূর্ব তীরের উপজেলা। যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্ত এই উপজেলায় অবস্থিত।
শালবনঘেরা মধুপুর জাতীয় উদ্যান, দেশজুড়ে খ্যাত আনারস এবং গারো জনগোষ্ঠীর বসবাসের জন্য পরিচিত উপজেলা।
কুমুদিনী হাসপাতাল, ভারতেশ্বরী হোমস, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ ও মহেড়া জমিদার বাড়ির জন্য পরিচিত উপজেলা, ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত।
মধুপুর গড়ের অংশ, লালমাটির উঁচু ভূমি ও শালবনঘেরা জনপদ। আয়তনে জেলার বড় উপজেলাগুলোর একটি।
সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ (বিবিএস) থেকে সংকলিত — যাচাই বাকি· শেষ যাচাই: তারিখ নেই