
মধুপুর জাতীয় উদ্যান
মধুপুর উপজেলার লালমাটির গড়ে শালবনঘেরা দেশের প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যান; হনুমান, বানর, পাখি আর হরিণ প্রজনন কেন্দ্র দেখতে প্রকৃতিপ্রেমীরা আসেন।
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জমিদার বাড়ি, প্রাচীন মসজিদ, শালবন আর যমুনার তীর — ঘুরে আসুন টাঙ্গাইল।

মধুপুর উপজেলার লালমাটির গড়ে শালবনঘেরা দেশের প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যান; হনুমান, বানর, পাখি আর হরিণ প্রজনন কেন্দ্র দেখতে প্রকৃতিপ্রেমীরা আসেন।
বাসাইল–সখিপুর সীমানা ধরে বয়ে চলা বংশী (বংশাই) নদী এত আঁকাবাঁকা যে শুধু বাসাইল অংশেই প্রায় শতাধিক বাঁক; নদীপাড়ের গ্রামীণ দৃশ্যের জন্য সুন্দর।

বাসাইল–নলুয়া সড়ক চাপড়া বিলের বুক চিরে গেছে; বর্ষায় দুই পাশে থইথই পানি, নৌকাভ্রমণ আর হিজলগাছের জন্য এই 'বাসুলিয়া' জমে ওঠে।

মধুপুর গড়ে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চারটি রাবার বাগান, প্রায় ৭,৫০০ একর; পীরগাছা-সন্তোষপুরে সারি সারি গাছ আর ভোরে কষ সংগ্রহ দেখা যায়।

ঘাটাইলের পূর্বাঞ্চলে মধুপুর গড়ের লালমাটির টিলাময় এলাকা মাইধারচালা; ব্রাহ্মণশাসন বাসস্ট্যান্ড থেকে পূর্বে, জেলা ও উপজেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকাভুক্ত।
মধুপুরের শালবনের ভেতরে বন বিভাগের লহরিয়া (লৌহরিয়া) হরিণ প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে দেয়ালঘেরা বনে চিত্রা হরিণ লালন করা হয়। বন দেখার পথে ঘুরে আসা যায়।