
খাবার ও মিষ্টি · টাঙ্গাইল সদর
পোড়াবাড়ির চমচম
জিআই পণ্যটাঙ্গাইল সদরের পোড়াবাড়ী এলাকার বিখ্যাত চমচম — দেশজুড়ে সমাদৃত এই মিষ্টি ২০২৪ সালে জিআই স্বীকৃতি পায়।
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাঁতের শাড়ি, পোড়াবাড়ির চমচম, উৎসব আর মেলা — যা টাঙ্গাইলকে আলাদা করে চেনায়।

খাবার ও মিষ্টি · টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইল সদরের পোড়াবাড়ী এলাকার বিখ্যাত চমচম — দেশজুড়ে সমাদৃত এই মিষ্টি ২০২৪ সালে জিআই স্বীকৃতি পায়।

খাবার ও মিষ্টি · মধুপুর
মধুপুর গড়ের লালমাটিতে উৎপন্ন রসালো আনারস — ২০২৪ সালে জিআই সনদ পাওয়া টাঙ্গাইলের কৃষিপণ্য।
খাবার ও মিষ্টি · মির্জাপুর
মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কির ঐতিহ্যবাহী সন্দেশ — ২০২৫ সালে জিআই সনদ পাওয়া টাঙ্গাইলের মিষ্টি।
খাবার ও মিষ্টি · কালিহাতী
কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়ার হাতে ভাজা মুড়ি — জেলা প্রশাসনের নথি অনুযায়ী জিআই আবেদন প্রক্রিয়াধীন।
খাবার ও মিষ্টি · কালিহাতী
কালিহাতী উপজেলার ইন্দুটির দই — জেলা প্রশাসনের নথি অনুযায়ী জিআই আবেদন প্রক্রিয়াধীন।

খাবার ও মিষ্টি
চমচম ছাড়াও টাঙ্গাইলে দানাদার, রসগোল্লা, অমৃতি, জিলাপি, সন্দেশ, রসমালাই, কালোজাম, খাজা, বাতাসা, কদমা, নই, টানা ইত্যাদি তৈরি হয়।

কারুশিল্প · দেলদুয়ার
হাতে বোনা টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি — ২০২৪ সালে বাংলাদেশের জিআই পণ্য এবং ২০২৫ সালে ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পাওয়া বুননশিল্প।
কারুশিল্প · টাঙ্গাইল সদর
টাঙ্গাইল সদরের কাগমারী এলাকার কাঁসা ও পিতলের তৈজসপত্র — জেলা প্রশাসনের নথি অনুযায়ী জিআই আবেদন প্রক্রিয়াধীন।
কারুশিল্প
জেলা পোর্টাল নকশি কাঁথা ও মাটির মৃৎফলককে টাঙ্গাইলের লোকঐতিহ্যের দুটি প্রধান নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছে, যদিও বাণিজ্যিকীকরণ ও অবহেলায় এগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে।
কারুশিল্প
বাঁশ ও বেতের তৈরি গৃহস্থালি তৈজসপত্র টাঙ্গাইলের লোকশিল্পের অংশ; বাসাইলসহ কয়েকটি উপজেলায় এ ধরনের কুটিরশিল্প এখনো টিকে আছে।
কারুশিল্প
মধুপুর গড়ের জলছত্র এলাকায় আদিবাসীদের নিজস্ব তাঁতে বোনা কাপড় ও রেশমবস্ত্রের বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে; পীরগাছায় আদিবাসী পোশাকের দোকান ও গারো কালচারাল সেন্টারও আছে।
উৎসব ও মেলা
মধুপুরের গারো সম্প্রদায়ের ফসলোত্তর ধন্যবাদ উৎসব ওয়ানগালা জেলার বিশেষ উৎসব হিসেবে পোর্টালে উল্লিখিত।

উৎসব ও মেলা
জেলা পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী টাঙ্গাইলের উল্লেখযোগ্য লোকউৎসবের মধ্যে আছে নবান্ন, পৌষ সংক্রান্তি, বারুণী স্নান, অষ্টমী স্নান এবং নদীবহুল অঞ্চলের নৌকাবাইচ।
উৎসব ও মেলা
সখিপুরের দাড়িয়াপুরে লোকসাধক ফাইলা পাগলার মাজার ঘিরে প্রতি বছর তিন দিনের মেলা বসে; মুর্শিদি-মারফতি গান আর কদমা মিষ্টি এর বিশেষ আকর্ষণ।
উৎসব ও মেলা
দেলদুয়ারের আটিয়ায় বাবা আদম কাশ্মিরীর মাজারে প্রতি বছর তিন দিনব্যাপী ওরস হয়।
উৎসব ও মেলা
বাসাইলের বার্থা গ্রামে নবেবছ পাগলের মাজারে মাঘ মাসে ওরস হয়, যেখানে বহু ভক্ত সমবেত হন।
উৎসব ও মেলা
মধুপুরের শোলাকুড়িতে ভগবৎ দত্তের দিঘির পাড়ের প্রাচীন মন্দিরে বৈশাখী পূর্ণিমায় শিবপূজা ও রাসমেলা হয়।
উৎসব ও মেলা
জেলা প্রশাসন ২০২৬ সালে টাঙ্গাইলের মিষ্টি নিয়ে “সুইট ফেস্টিভাল” আয়োজন করে, যার ছবি জেলা পোর্টালের ফটো গ্যালারিতে আছে।
সংস্কৃতি
“চমচম, টমটম ও শাড়ি, এই তিনে টাঙ্গাইলের বাড়ি”—এই প্রবাদে টাঙ্গাইলের তিন পরিচয়ের একটি টমটম, অর্থাৎ ঘোড়ায় টানা গাড়ি, যা একসময় এখানকার প্রধান বাহন ছিল।
সংস্কৃতি
ধুয়া, জারি, সারি, রাখালি, বারোমাসি, পালাগান, পল্লীগীতি, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, মুর্শিদি, মারফতি, বিয়ের গান, ঘাটুগান ও বাউলগান টাঙ্গাইলে জনপ্রিয়।
জেলার কৃতী মানুষদের সম্পর্কে জানুন
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব