মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ
ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল

টাঙ্গাইল ভ্রমণ গাইড

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল ও মসজিদ

Dhanbari Nawab Manzil and Mosque

ছবি: Babul abdul malek · CC BY-SA 4.0 · উইকিমিডিয়া কমন্স

ধরন
ঐতিহাসিক স্থাপনা
অবস্থান
ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল
শহর থেকে (সোজা দূরত্ব)
প্রায় ৪৭ কিমি
সেরা সময়
নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি
পড়তে লাগবে
৬ মিনিট

ধনবাড়ী উপজেলা সদরে নওয়াব আলী চৌধুরীর পারিবারিক প্রাসাদ, ৩০ বিঘার দিঘি আর চিনিটিকরি মোজাইকের তিন গম্বুজ মসজিদ—একদিনে ঘুরে আসার মতো ঐতিহ্য।

পরিচিতি

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল টাঙ্গাইলের উত্তর প্রান্তে ধনবাড়ী উপজেলা সদরে অবস্থিত একটি জমিদার প্রাসাদ। স্থানীয়রা একে নবাব বাড়ি, নবাব প্যালেস কিংবা সোজা "জমিদার বাড়ি" বলেই চেনেন, তাই এলাকায় পৌঁছে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই পথ দেখিয়ে দেবেন। উপজেলা তথ্য বাতায়ন অনুযায়ী বাড়িটি বংশাই ও বৈরান নদীর মাঝের ভূখণ্ডে পড়েছে।

জায়গাটির গুরুত্ব দুই দিক থেকে। একদিকে এটি খান বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরীর (১৮৬৩–১৯২৯) স্মৃতিবিজড়িত বাসভবন, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অন্যতম কারিগর হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন। অন্যদিকে প্রাসাদের পাশে দিঘির পাড়ে আছে মোগল ধাঁচের ধনবাড়ী মসজিদ, যার ভেতরের চীনামাটির মোজাইক এ অঞ্চলের অন্যতম দর্শনীয় অলংকরণ। প্রাসাদ, মসজিদ, কবরস্থান আর বিশাল দিঘি মিলে পুরো চত্বরটি এক জায়গায় ঘুরে দেখা যায়।

ইতিহাস ও নামকরণ

বাংলাপিডিয়ার তথ্যমতে, মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে সেনানায়ক ইস্পিঞ্জার খাঁ ও মনোয়ার খাঁ স্থানীয় শাসক ধনপতি সিংহকে পরাজিত করে ধনবাড়ীতে জমিদারি গড়ে তোলেন। জমিদারির সূচনা নিয়ে অবশ্য ভিন্নমতও প্রচলিত আছে। পরবর্তীকালে এই এস্টেটের সবচেয়ে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন নওয়াব আলী চৌধুরী; তাঁর বাবা জনাব আলী চৌধুরী ছিলেন ধনবাড়ীর জমিদার।

নওয়াব আলী চৌধুরী শুধু জমিদারই ছিলেন না, ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রভাবশালী রাজনীতিক। বাংলাপিডিয়া জানায়, ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব তিনিই পালন করেছিলেন, আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরুর কঠিন দিনগুলোতেও পাশে ছিলেন। ১৯২১–২৩ মেয়াদে তিনি বাংলার প্রথম সংস্কারকৃত মন্ত্রিসভার সদস্য হন। উপজেলা তথ্য বাতায়ন তাঁকে ব্রিটিশ সরকারের প্রথম মুসলিম মন্ত্রী এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম প্রস্তাবক হিসেবে উল্লেখ করে। একই পোর্টালের তথ্য, ১৯১৯ সালে বাংলার গভর্নর লর্ড রোনাল্ডসকে অভ্যর্থনা জানানোর উপলক্ষে তিনি প্রাসাদটি গড়ে তোলেন; গভর্নর তখন স্টিমারে বৈরান নদীর কয়ড়া ঘাটে এসেছিলেন।

এই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পাকিস্তানের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী বগুড়া এবং পরবর্তীকালের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য সৈয়দ হাসান আলী চৌধুরীর নাম পাওয়া যায়। বর্তমানে সম্পত্তিটি পরিবারের উত্তরসূরিদের মালিকানায় আছে এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় রিসোর্ট হিসেবে চলছে—এ কারণেই অন্য অনেক জমিদার বাড়ির তুলনায় এখানকার স্থাপনাগুলো বেশ ভালো অবস্থায় টিকে আছে।

যা যা দেখবেন

নওয়াব মঞ্জিল (মূল প্রাসাদ)

পুরো প্রাসাদ প্রাচীরে ঘেরা। দক্ষিণমুখী ভবনটির সামনে লম্বা বারান্দা, কার্নিশজুড়ে লতাপাতার নকশা। ভেতরে চারটি বড় কক্ষ ও কয়েকটি ছোট কক্ষ রয়েছে বলে পোর্টালে উল্লেখ আছে, আর দর্শনার্থীরা কয়েকটি কক্ষ ঘুরে দেখার সুযোগ পান। বারান্দা ও কক্ষে পুরোনো আমলের আসবাব ও নবাবি ব্যবহার্য সামগ্রী সাজানো আছে।

পূর্ব দিকের তোরণ

ভবনের পূর্ব পাশে একটি বড় ফটক, যার দুই পাশে প্রহরীদের দুটি ছোট ঘর। গভর্নরকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্যই এটি তৈরি হয়েছিল বলে উপজেলা পোর্টাল জানায়।

চত্বরের অন্যান্য স্থাপনা

প্রাচীরের ভেতরে ফুলের বাগান, চিড়িয়াখানা, বৈঠকখানা, নায়েবঘর, কাচারিঘর, পাইক-পেয়াদাদের বসতি এবং দাস-দাসীদের চত্বরের কথা উইকিপিডিয়া ও উপজেলা পোর্টাল—দুই জায়গাতেই আছে।

৩০ বিঘার দিঘি

প্রাসাদের একেবারে পূর্ব দিকে প্রায় ত্রিশ বিঘা জুড়ে পুরোনো একটি দিঘি। পাড়ে ঘন গাছের ছায়া, আর শীতে এখানে নানা জাতের পাখি নামে।

ধনবাড়ী মসজিদ

দিঘির পাড়ে, মঞ্জিলের সীমানার বাইরের দিকে এই তিন গম্বুজ মসজিদ। কোনো শিলালিপি না থাকায় নির্মাণের সঠিক সাল জানা যায় না; বাংলাপিডিয়ার মতে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা একে জাহাঙ্গীরের আমলের বলে ধারণা করেন। শুরুতে এটি ছিল আয়তাকার—দৈর্ঘ্যে ১৩.৭২ মিটার, প্রস্থে ৪.৫৭ মিটার। নওয়াব আলী চৌধুরী পরে মসজিদটি বড় করেন ও আধুনিক রূপ দেন, ফলে এখন এটি প্রায় বর্গাকার। তবু গম্বুজ আর খাঁজকাটা খিলানের প্রবেশপথে পুরোনো চেহারার ছাপ রয়ে গেছে।

ভেতরে কিবলা দেয়ালে তিনটি মিহরাব; মাঝেরটির অষ্টভুজ কুলুঙ্গি ফুলেল নকশায় সাজানো, পাশে একটি মিম্বার। দেয়ালজুড়ে চীনামাটির ভাঙা টুকরায় (চিনিটিকরি) করা ফুলের মোজাইকই মসজিদটির মূল আকর্ষণ। মোগল আমলের তিনটি ঝাড়বাতি এখনো ঝুলছে বলে উপজেলা পোর্টালে লেখা আছে। প্রায় ২০০ জন একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন।

নওয়াব আলী চৌধুরীর সমাধি ও পুরোনো কবরস্থান

মসজিদের পাশেই নওয়াব আলী চৌধুরীর সমাধিকক্ষ। ১৯২৯ সালে তাঁর মৃত্যুর পর থেকে এখানে পালাক্রমে কোরআন তিলাওয়াত চলে আসছে। কাছেই প্রায় আধা বিঘার নিচু প্রাচীরঘেরা একটি পুরোনো কবরস্থান আছে।

ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশন

প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে সামনেই নওয়াব পরিবারের প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যা এখনো চালু আছে।

ভ্রমণের সেরা সময়

নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি সবচেয়ে ভালো সময়। তখন রোদ নরম থাকে, খোলা চত্বরে হাঁটতে কষ্ট হয় না, আর দিঘিতে অতিথি পাখি দেখার সম্ভাবনাও থাকে। সকালের দিকে গেলে মসজিদের মোজাইকে আলো ভালো পড়ে, ভিড়ও কম থাকে। শুক্রবার জুমার সময়টা এড়িয়ে মসজিদ দেখার পরিকল্পনা করা ভালো।

খাওয়াদাওয়া

ধনবাড়ী বাজার ও আশপাশে সাধারণ খাবারের হোটেল পাওয়া যায়। পাশের মধুপুর এলাকা আনারসের জন্য দেশজুড়ে পরিচিত, তাই মৌসুমে পথের ধারের দোকানে টাটকা আনারস কিনে নিতে পারেন।

থাকার ব্যবস্থা

টাঙ্গাইল শহর বা মধুপুর থেকে দিনে দিনে ঘুরে আসা সহজ। রাত কাটাতে চাইলে মধুপুর উপজেলা সদরে আবাসিক হোটেল আছে। উপজেলা পোর্টাল অনুযায়ী প্রাসাদ চত্বরের রিসোর্টেও কয়েক ধরনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে; ভাড়া ও বুকিংয়ের নিয়ম সরাসরি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জেনে নিন।

ভ্রমণ টিপস ও সতর্কতা

  • চত্বরটি ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং রিসোর্ট হিসেবে পরিচালিত, তাই প্রবেশের নিয়ম, টিকিট ও সময় কর্তৃপক্ষ ঠিক করে—যাওয়ার আগে খোঁজ নিন।
  • অনলাইন ম্যাপের তথ্যে (অক্টোবর ২০২৬) সাধারণত সন্ধ্যা ৬টায় দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধের কথা আছে; এটি আমরা যাচাই করিনি, তাই দুপুরের মধ্যে পৌঁছানোই নিরাপদ।
  • মসজিদে ঢোকার আগে শালীন পোশাক পরুন, জুতা খুলে রাখুন, নারীরা মাথা ঢেকে নিন।
  • নামাজের ওয়াক্তে ভেতরে ছবি তোলা বা জোরে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।
  • সমাধিকক্ষে তিলাওয়াত চলে; সেখানে নীরবতা বজায় রাখুন।
  • মোজাইক বা পুরোনো আসবাবে হাত দিয়ে ঘষবেন না, এগুলো সহজে নষ্ট হয়।
  • দিঘির পাড়ে শিশুদের দিকে নজর রাখুন।

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল ও মসজিদ-এ কীভাবে যাবেন

  1. ঢাকা থেকে

    ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক ধরে টাঙ্গাইল পেরিয়ে মধুপুর হয়ে জামালপুরগামী সড়কে ধনবাড়ী। এই পথের বাসে ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ডে নামুন।

  2. টাঙ্গাইল শহর থেকে

    উত্তরে মধুপুরের দিকে যান, মধুপুর থেকে বাস বা সিএনজি অটোরিকশায় ধনবাড়ী। ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে নওয়াব মঞ্জিল হাঁটা দূরত্বে; চাইলে রিকশা বা অটোরিকশাও নিতে পারেন।

  3. নিজস্ব গাড়িতে

    মধুপুর পেরিয়ে জামালপুর সড়কে ধনবাড়ী বাজারে ঢুকে "জমিদার বাড়ি" বা "নবাব বাড়ি" জিজ্ঞেস করলেই পথ পাবেন। গাড়ি রাখার জায়গা কর্তৃপক্ষের কাছে জেনে নিন।

  4. ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল ও মসজিদ

    ধনবাড়ী উপজেলা, টাঙ্গাইল

ভাড়া, সময় ও রাস্তার অবস্থা বদলায় — রওনা দেওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত হয়ে নিন।

সাধারণ প্রশ্ন

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল কোথায় অবস্থিত?

টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলা সদরে, বাসস্ট্যান্ড থেকে অল্প দূরে। মঞ্জিলের পূর্ব পাশে দিঘি আর দিঘির পাড়ে ধনবাড়ী মসজিদ।

নওয়াব মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?

উপজেলা তথ্য বাতায়ন অনুযায়ী খান বাহাদুর সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী ১৯১৯ সালে বাংলার গভর্নরকে অভ্যর্থনা জানানোর উপলক্ষে প্রাসাদটি তৈরি করেন। জমিদারির সূচনা অবশ্য এর অনেক আগে, মোগল আমলে।

ধনবাড়ী মসজিদ কত পুরোনো?

মসজিদে কোনো শিলালিপি নেই। বাংলাপিডিয়ার মতে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা একে সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলের বলে মনে করেন; পরে নওয়াব আলী চৌধুরী এটি সম্প্রসারণ করেন।

প্রবেশ ফি আছে কি?

চত্বরটি রিসোর্ট হিসেবে পরিচালিত হওয়ায় প্রবেশে টিকিট লাগে বলে উপজেলা পোর্টালে উল্লেখ আছে। পরিমাণ সময়ের সঙ্গে বদলায়, তাই গেটে জেনে নিন।

নওয়াব আলী চৌধুরী কেন বিখ্যাত?

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং অবিভক্ত বাংলার মন্ত্রিসভা ও গভর্নরের নির্বাহী পরিষদের সদস্য ছিলেন।

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল ও মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল ও মসজিদ টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত। টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্র থেকে সোজা দূরত্বে প্রায় ৪৭ কিমি।

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল ও মসজিদ-এ কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে: ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক ধরে টাঙ্গাইল পেরিয়ে মধুপুর হয়ে জামালপুরগামী সড়কে ধনবাড়ী। এই পথের বাসে ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ডে নামুন। টাঙ্গাইল শহর থেকে: উত্তরে মধুপুরের দিকে যান, মধুপুর থেকে বাস বা সিএনজি অটোরিকশায় ধনবাড়ী। ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে নওয়াব মঞ্জিল হাঁটা দূরত্বে; চাইলে রিকশা বা অটোরিকশাও নিতে পারেন। নিজস্ব গাড়িতে: মধুপুর পেরিয়ে জামালপুর সড়কে ধনবাড়ী বাজারে ঢুকে "জমিদার বাড়ি" বা "নবাব বাড়ি" জিজ্ঞেস করলেই পথ পাবেন। গাড়ি রাখার জায়গা কর্তৃপক্ষের কাছে জেনে নিন।

ধনবাড়ী নওয়াব মঞ্জিল ও মসজিদ ভ্রমণের উপযুক্ত সময় কখন?

নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি; সকালের দিকে, জুমার সময় এড়িয়ে

তথ্যসূত্র

লেখাটি এসব সূত্রের তথ্য মিলিয়ে আমাদের নিজের ভাষায় লেখা। কোনো ভুল চোখে পড়লে জানান।

· শেষ যাচাই: ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

কাছের আরও দর্শনীয় স্থান

সব দেখুন
মধুপুরের রাবার বাগান (পীরগাছা/সন্তোষপুর)
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য•মধুপুর

মধুপুরের রাবার বাগান (পীরগাছা/সন্তোষপুর)

মধুপুর গড়ে বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চারটি রাবার বাগান, প্রায় ৭,৫০০ একর; পীরগাছা-সন্তোষপুরে সারি সারি গাছ আর ভোরে কষ সংগ্রহ দেখা যায়।

ওপর থেকে তোলা ২০১ গম্বুজ মসজিদের ছবি, গোপালপুর
ধর্মীয় স্থান•গোপালপুর

২০১ গম্বুজ মসজিদ

গোপালপুরের পাথালিয়ায় ঝিনাই নদীর তীরে ২০১টি গম্বুজ ও ৪৫১ ফুট উঁচু মিনারের মসজিদ; স্থাপত্য দেখতে দেশজুড়ে মানুষ আসেন।

বিনোদন ও পার্ক•মধুপুর

কাকরাইদ বীজ উৎপাদন খামার (বিএডিসি)

মধুপুরের কাকরাইদে বিএডিসির বীজ উৎপাদন খামার — জেলা প্রশাসনের দর্শনীয় স্থানের তালিকাভুক্ত সবুজ ক্যাম্পাস, রাবার বাগানের পথে পড়ে।