
টাঙ্গাইল ১৮৭০ সালে ময়মনসিংহের মহকুমা হয় এবং ১৯৬৯ সালের ১ ডিসেম্বর আলাদা জেলা হয়। আটিয়া পরগনা থেকে আজকের জেলা পর্যন্ত ইতিহাস ও সময়রেখা।
টাঙ্গাইল আজ ঢাকা বিভাগের একটি জেলা, কিন্তু দীর্ঘকাল এটি ছিল বৃহত্তর ময়মনসিংহের একটি মহকুমা। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী টাঙ্গাইল মহকুমা গঠিত হয় ১৮৭০ সালে, আর জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে ১৯৬৯ সালের ১ ডিসেম্বর মহকুমাটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ১৯তম জেলা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এর আগের কয়েক শতাব্দী ধরে আজকের টাঙ্গাইলের বড় অংশ পরিচিত ছিল "আটিয়া পরগনা" নামে।
এই লেখায় প্রাচীন জনপদ থেকে শুরু করে মোগল আমলের পরগনা, ব্রিটিশ আমলের থানা-মহকুমা, জেলা গঠনের দীর্ঘ আন্দোলন এবং স্বাধীনতার পরের প্রশাসনিক পরিবর্তন পর্যন্ত টাঙ্গাইলের ইতিহাস ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো। জেলার বর্তমান পরিচয় জানতে দেখুন জেলা পরিচিতি।
প্রাচীন যুগ: যমুনার চরে গড়ে ওঠা জনপদ
জেলা প্রশাসনের ইতিহাস-বিবরণে বলা হয়েছে, বর্তমান টাঙ্গাইলের ভূখণ্ডের বড় অংশ পুরোনো যমুনার বুকে জেগে ওঠা চর নিয়ে গঠিত। শুরুর দিকে এখানে যারা বসতি গড়েন, তাদের অনেকে এসেছিলেন যমুনার পশ্চিম পাড় তথা উত্তরবঙ্গ থেকে। নদীর ভাঙাগড়ার কারণে এ অঞ্চলের মানচিত্র বারবার বদলেছে।
একই বিবরণ অনুযায়ী প্রাচীনকালে অঞ্চলটি কামরূপ বা প্রাগজ্যোতিষপুর রাজ্যের অংশ ছিল। দশম থেকে একাদশ শতকের গোড়া পর্যন্ত পাল রাজারা এবং দ্বাদশ শতকে সেন রাজারা এখানে শাসন করেন। মধুপুর উপজেলার সরকারি পোর্টালে উল্লেখ আছে, চতুর্দশ শতকের শেষভাগে অঞ্চলটি খেন রাজবংশের অধীনে ছিল এবং পরে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের কামতা বিজয়ের পর তা মুসলিম শাসনে আসে।
এই প্রাচীন পর্বের তথ্য মূলত প্রশাসনিক ও স্থানীয় ইতিহাস-গ্রন্থনির্ভর। তাই সাল ও সীমানা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়।
সুলতানি ও মোগল আমল: আটিয়া পরগনার উত্থান
জেলা প্রশাসনের বিবরণ অনুযায়ী গৌড়ের সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের আমলে (১৩০১–১৩২২ খ্রিস্টাব্দ) এ অঞ্চলে মুসলিম শাসনের সূচনা হয়। পরের কয়েক শতকে আটিয়া হয়ে ওঠে অঞ্চলের প্রশাসনিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র।
- আটিয়া পরগনা ও আদম কাশ্মিরী: পরগনাটির সঙ্গে সাধক আলী শাহান শাহ বাবা আদম কাশ্মিরীর নাম জড়িয়ে আছে। বাসাইল উপজেলার পোর্টালে বলা হয়েছে, ঈসা খাঁ ১৫৯৮ সালে পরগনাটি তাঁকে দান করেন। দেলদুয়ার উপজেলার পোর্টালে আবার লেখা আছে, তাঁকে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ শাসক নিযুক্ত করেছিলেন। তাঁর সমাধি আটিয়ায় অবস্থিত (আদম কাশ্মিরী (র.)-এর মাজার)।
- শাহ জামান ও পোড়াবাড়ি: জেলা পোর্টালের ঐতিহ্য অংশে বলা হয়েছে, ১৬০৮ সালে মোগল সুবেদার ইসলাম খাঁ শাহ জামানকে আটিয়ার শাসক নিযুক্ত করেন। ধলেশ্বরীর তীরের পোড়াবাড়িকে নদীবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার কৃতিত্বও তাঁকে দেওয়া হয়।
- আটিয়া মসজিদ: মোগল আমলের সবচেয়ে পরিচিত নিদর্শন আতিয়া মসজিদ। সাঈদ খান পন্নী এটি নির্মাণ করেন। শিলালিপির পাঠ নিয়ে মতভেদ আছে: কোনো সূত্রে ১০১৮ হিজরি (১৬০৯ খ্রি.), আবার বাংলাপিডিয়ায় ১০১৯ হিজরি (১৬১০–১১ খ্রি.)।
- আঠারো শতকের রাজস্ব ব্যবস্থা: বাসাইল উপজেলার পোর্টাল অনুযায়ী ১৭২২ সালে নবাব মুর্শিদকুলী খাঁর রাজস্ব বন্দোবস্তে আটিয়া ও কাগমারী পরগনা ঘোড়াঘাট চাকলার অধীনে যায়।
জেলা প্রশাসনের বিবরণে আরও বলা হয়েছে, জেমস রেনেলের মানচিত্রে এই পুরো এলাকাকে "আটিয়া" নামে দেখানো হয়েছে। তাই অনেকে আটিয়াকে টাঙ্গাইলের পুরোনো নাম হিসেবে দেখেন।
ব্রিটিশ আমল: থানা, মহকুমা ও জমিদারি
ব্রিটিশ শাসনের শুরুতে মধুপুরের বনাঞ্চল ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহীদের অন্যতম আশ্রয় ছিল। মধুপুর উপজেলা পোর্টালের তথ্যমতে, ১৭৮২ সালে পুখুরিয়া এলাকায় বিদ্রোহীদের সঙ্গে ব্রিটিশ বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছিল।
উনিশ শতকে প্রশাসনের কেন্দ্র আটিয়া থেকে সরে আসে আজকের টাঙ্গাইল শহরে। এ পর্বের মূল ধাপগুলো হলো:
- থানা স্থাপন: জেলা পোর্টালের ইতিহাস অংশ বলছে, ১৮৬৬ সালে পারদিঘুলিয়া মৌজায় "টানআইল" থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে সদর উপজেলার পোর্টালে এ ঘটনার সাল ১৮৬৯ লেখা আছে।
- মহকুমা সদর স্থানান্তর: জেলা পোর্টাল অনুযায়ী ১৮৭০ সালের ১৫ নভেম্বর মহকুমা সদর দপ্তর আটিয়া থেকে টাঙ্গাইলে আনা হয়। এর পর থেকেই "টাঙ্গাইল" নামটি ব্যাপক পরিচিতি পায়।
- পৌরসভা: বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী টাঙ্গাইল পৌরসভা গঠিত হয় ১৮৮৭ সালে।
এ সময় জেলাজুড়ে বড় বড় জমিদারি গড়ে ওঠে। এর মধ্যে করটিয়া, সন্তোষ, দেলদুয়ার, ধনবাড়ী ও নাগরপুরের জমিদারবাড়ি উল্লেখযোগ্য। জমিদার পরিবারগুলো শিক্ষা ও রাজনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখে। জেলা পোর্টালের তথ্যমতে, ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর উদ্যোগে ১৯০৬ সালে করটিয়ায় বাংলার মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন হয়, আর ১৯২৬ সালে করটিয়ায় সা'দত কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
জেলা গঠনের দীর্ঘ দাবি (১৯১২–১৯৬৯)
অবিভক্ত বাংলায় ময়মনসিংহ ছিল সবচেয়ে বড় জেলা। এত বড় এলাকা এক সদর থেকে শাসন করা কঠিন ছিল, তাই জেলা ভাগের দাবি বহুবার উঠেছে। জেলা প্রশাসনের ইতিহাস অংশে এই আন্দোলনের প্রধান ধাপগুলো এভাবে উল্লেখ আছে:
- ১৯১২: ধনবাড়ীর নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী টাঙ্গাইলের জমিদার ও বিশিষ্টজনদের নিয়ে ধনবাড়ীতে একটি সভা করেন। সেখানে ময়মনসিংহ ভেঙে নতুন জেলা গঠনের দাবি তোলা হয়।
- ১৯১৩–১৪: বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিটি ময়মনসিংহকে তিন ভাগ করার সুপারিশ করে। প্রস্তাবে টাঙ্গাইল ও জামালপুর মহকুমা নিয়ে একটি "গোপালপুর জেলা" গঠনের কথা ছিল, কিন্তু তা কখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
- ১৯৪৭-পরবর্তী: দেশভাগের পর ময়মনসিংহকে নাসিরাবাদ, কায়দাবাদ ও টাঙ্গাইল নামে তিন জেলায় ভাগ করার প্রস্তাব ওঠে। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট টাঙ্গাইলকে জেলা করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- ১৯৬০–৬১: পোর্টাল অনুযায়ী পাকিস্তানের অর্থনৈতিক পরিষদ ময়মনসিংহ ভেঙে টাঙ্গাইলসহ নতুন জেলা গঠনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। তবে বাস্তবায়নে আরও প্রায় এক দশক লেগে যায়।
- ষাটের দশক: প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ-র প্রতিষ্ঠিত "টাঙ্গাইল মাহফিল" (১৯৫০) অরাজনৈতিকভাবে "টাঙ্গাইল জেলা চাই" আন্দোলন শুরু করে। পোর্টাল অনুযায়ী মওলানা ভাসানী এ দাবির পক্ষে ছিলেন।
শেষ পর্যন্ত ১৯৬৯ সালের ১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল জেলা আত্মপ্রকাশ করে। জেলা ব্র্যান্ডবুকের তথ্যমতে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সার্কিট হাউস ও ডিসি বাংলো সেই বছরই নির্মিত হয়।
পাকিস্তান আমলের রাজনীতিতে টাঙ্গাইল
জেলা গঠনের আগেই টাঙ্গাইল জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় চলে আসে। ১৯৪৯ সালের ২৬ এপ্রিল দক্ষিণ টাঙ্গাইল আসনের উপনির্বাচনে শামসুল হক মুসলিম লীগ প্রার্থী করটিয়ার জমিদার খুররম খান পন্নীকে পরাজিত করেন। একই বছর আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হলে বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী তিনি দলের প্রথম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে টাঙ্গাইলের কাগমারীতে মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন হয়। কাগমারী সম্মেলন নামে পরিচিত এই আয়োজনে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবি জোরালোভাবে ওঠে। পরে এই প্রশ্নেই দল ভাগ হয়ে যায়।
১৯৭১: মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গন
মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইল ছিল ঢাকার উত্তরের অন্যতম সক্রিয় রণাঙ্গন। সখিপুরের পাহাড়ি বনাঞ্চলে গড়ে ওঠা কাদেরিয়া বাহিনীর শপথস্থলে আজ একটি স্মৃতিস্তম্ভ দাঁড়িয়ে আছে। এ বছরের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো হলো:
- আগস্ট: ভূঞাপুরের সিরাজকান্দিতে জাহাজমারা যুদ্ধ হয়।
- ১৭ নভেম্বর: ভূঞাপুরের ছাব্বিশায় গণহত্যা চালায় পাকিস্তানি বাহিনী।
- ২৫ অক্টোবর: নাগরপুরের বনগ্রামে গ্রামবাসী ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা হয়।
- ১১ ডিসেম্বর: কালিহাতীর পুংলিতে ভারতীয় ছত্রীসেনা অবতরণ করে, আর টাঙ্গাইল শহর হানাদারমুক্ত হয়।
স্বাধীনতার পর: উপজেলা ও নতুন অবকাঠামো
স্বাধীনতার পর থানাগুলো ধাপে ধাপে উপজেলায় উন্নীত হয়:
- নতুন থানা: ১৯৭৪ সালে ভূঞাপুর গোপালপুর থেকে আলাদা থানা হয়। বাসাইল উপজেলা পোর্টাল অনুযায়ী ১৯৭৬ সালে সখিপুর থানা গঠিত হয়।
- উপজেলায় উন্নীতকরণ: বেশিরভাগ থানা উপজেলা হয় ১৯৮৩ সালে, আর বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী টাঙ্গাইল সদর উপজেলা হয় ১৯৮৪ সালে।
- সর্বশেষ উপজেলা: ২০০৬ সালে মধুপুর ভেঙে ধনবাড়ী নতুন উপজেলা গঠিত হয়।
বর্তমানে জেলায় ১২টি উপজেলা, ১২০টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা রয়েছে। পূর্ণ তালিকা আছে উপজেলা ও ইউনিয়নের তালিকায়।
এ সময়ের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো যমুনার ওপর নির্মিত সেতু:
- যমুনা সেতু: ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। ২০২৫ সালে সরকারি গেজেটে এর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে যমুনা সেতু রাখা হয়।
- যমুনা রেলসেতু: ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ উদ্বোধন করা হয়।
- ইউনেস্কোর স্বীকৃতি: ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে টাঙ্গাইল শাড়ি-র বয়নশিল্প ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক তালিকায় যুক্ত হয়।
সময়রেখা: এক নজরে টাঙ্গাইলের ইতিহাস
| সময় | ঘটনা |
|---|---|
| ১৩০১–১৩২২ | সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের আমলে মুসলিম শাসনের সূচনা (জেলা পোর্টাল) |
| ১৫৯৮ | ঈসা খাঁ আটিয়া পরগনা আদম কাশ্মিরীকে দান করেন বলে বাসাইল উপজেলা পোর্টালে উল্লেখ |
| ১৬০৮ | শাহ জামান আটিয়ার শাসক নিযুক্ত হন (জেলা পোর্টাল) |
| ১৬০৯ বা ১৬১০–১১ | আতিয়া মসজিদ নির্মাণ (শিলালিপির পাঠে মতভেদ) |
| ১৭২২ | আটিয়া ও কাগমারী পরগনা ঘোড়াঘাট চাকলার অধীনে যায় |
| ১৮৬৬ (মতান্তরে ১৮৬৯) | পারদিঘুলিয়া মৌজায় টানআইল থানা স্থাপিত হয় |
| ১৫ নভেম্বর ১৮৭০ | মহকুমা সদর আটিয়া থেকে টাঙ্গাইলে স্থানান্তরিত হয় |
| ১৮৮৭ | টাঙ্গাইল পৌরসভা গঠিত হয় |
| ১৯১২ | ধনবাড়ীর সভায় ময়মনসিংহ ভেঙে নতুন জেলার দাবি ওঠে |
| ১৯১৩–১৪ | "গোপালপুর জেলা" গঠনের সুপারিশ আসে, যা বাস্তবায়িত হয়নি |
| ২৬ এপ্রিল ১৯৪৯ | দক্ষিণ টাঙ্গাইল উপনির্বাচনে শামসুল হক জয়ী হন |
| ৬–১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৭ | কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় |
| ১ ডিসেম্বর ১৯৬৯ | টাঙ্গাইল আলাদা জেলা হয় |
| ১১ ডিসেম্বর ১৯৭১ | টাঙ্গাইল শহর হানাদারমুক্ত হয় |
| ১৯৮৩–১৯৮৪ | থানাগুলো উপজেলায় উন্নীত হয় |
| ২৩ জুন ১৯৯৮ | যমুনা সেতু চালু হয় |
| ২০০৬ | ধনবাড়ী উপজেলা গঠিত হয় |
| ১৮ মার্চ ২০২৫ | যমুনা রেলসেতু উদ্বোধন হয় |
| ডিসেম্বর ২০২৫ | টাঙ্গাইল শাড়ির বয়নশিল্প ইউনেস্কো তালিকায় যুক্ত হয় |
তথ্যসূত্র
- Banglapedia — Tangail District — প্রবেশ 2026-10-16
- বাংলাপিডিয়া — টাঙ্গাইল জেলা — প্রবেশ 2026-10-16
- Banglapedia — Tangail Sadar Upazila — প্রবেশ 2026-10-16
- টাঙ্গাইল জেলা তথ্য বাতায়ন — জেলা সৃষ্টির ইতিহাস — প্রবেশ 2026-10-16
- টাঙ্গাইল জেলা তথ্য বাতায়ন — এক নজরে জেলা — প্রবেশ 2026-10-16
- টাঙ্গাইল জেলা তথ্য বাতায়ন — জেলা ব্র্যান্ডিং — প্রবেশ 2026-10-16
- বাসাইল উপজেলা তথ্য বাতায়ন — পটভূমি ও ঐতিহ্য — প্রবেশ 2026-10-16
- দেলদুয়ার উপজেলা তথ্য বাতায়ন — উপজেলার পটভূমি — প্রবেশ 2026-10-16
- মধুপুর উপজেলা তথ্য বাতায়ন — উপজেলার পটভূমি — প্রবেশ 2026-10-16
- ধনবাড়ী উপজেলা তথ্য বাতায়ন — উপজেলার পটভূমি — প্রবেশ 2026-10-16
- ভূঞাপুর উপজেলা তথ্য বাতায়ন — উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি — প্রবেশ 2026-10-16
- Banglapedia — Hoque, Shamsul — প্রবেশ 2026-10-16
- Banglapedia — Bangabandhu Jamuna Multipurpose Bridge — প্রবেশ 2026-10-16
- Wikipedia — Atia Mosque (মিলিয়ে দেখার জন্য) — প্রবেশ 2026-10-16
- Wikipedia — 1949 Tangail South by-election (মিলিয়ে দেখার জন্য) — প্রবেশ 2026-10-16
- উইকিপিডিয়া — টাঙ্গাইল জেলা (মিলিয়ে দেখার জন্য) — প্রবেশ 2026-10-16
সাধারণ প্রশ্ন
টাঙ্গাইল জেলা কবে গঠিত হয়?
টাঙ্গাইল জেলা গঠিত হয় ১৯৬৯ সালের ১ ডিসেম্বর। এর আগে এটি বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার একটি মহকুমা ছিল। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ১৯তম জেলা।
টাঙ্গাইল মহকুমা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী টাঙ্গাইল মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭০ সালে। জেলা পোর্টালের তথ্যমতে সে বছরের ১৫ নভেম্বর মহকুমা সদর আটিয়া থেকে টাঙ্গাইলে স্থানান্তর করা হয়।
টাঙ্গাইলের পুরোনো নাম কী ছিল?
আজকের টাঙ্গাইলের বড় অংশ একসময় আটিয়া পরগনার অন্তর্ভুক্ত ছিল। রেনেলের মানচিত্রেও পুরো অঞ্চলটি আটিয়া নামে দেখানো হয়েছে। তাই অনেকে আটিয়াকে টাঙ্গাইলের পুরোনো নাম হিসেবে উল্লেখ করেন।
টাঙ্গাইল আগে কোন জেলার অধীনে ছিল?
১৯৬৯ সাল পর্যন্ত টাঙ্গাইল বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার একটি মহকুমা ছিল। জেলা গঠনের দাবি ১৯১২ সাল থেকেই নানা পর্যায়ে ওঠে।
টাঙ্গাইলে বর্তমানে কয়টি উপজেলা আছে?
বর্তমানে টাঙ্গাইলে ১২টি উপজেলা, ১২০টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা রয়েছে। সর্বশেষ উপজেলা ধনবাড়ী গঠিত হয় ২০০৬ সালে, মধুপুর উপজেলা ভাগ করে।
মূল সূত্র: Banglapedia — Tangail District
কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি