মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ

মধুপুর গড়: শালবন, লালমাটি ও গারো (মান্দি) জনগোষ্ঠী

ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ৯ মিনিটে পড়ুন

মধুপুর জাতীয় উদ্যানের ভেতরের ইটের পথ
মধুপুর জাতীয় উদ্যানের ভেতরের ইটের পথ · ছবি: Ferdous · CC BY-SA 4.0 · উইকিমিডিয়া কমন্স

মধুপুর গড় কী, এর লালমাটি ও শাল-গজারির বন, জাতীয় উদ্যান, গারো (আচিক মান্দি) ও কোচ জনগোষ্ঠী, ওয়ানগালা উৎসব আর দকমান্দা তাঁতের পরিচয়।

মধুপুর গড় হলো টাঙ্গাইলের উত্তর-পূর্বাংশে, আশপাশের প্লাবনভূমির চেয়ে খানিকটা উঁচু, লালচে মাটির এক প্রাচীন ভূমিরূপ, যার বড় অংশজুড়ে শাল বা গজারির বন। এই বনের একাংশ নিয়ে গঠিত মধুপুর জাতীয় উদ্যান, আর বনের ভেতরে ও চারপাশে বহু প্রজন্ম ধরে বাস করছে গারো (আচিক মান্দি) ও কোচসহ কয়েকটি নৃগোষ্ঠী। তাদের ফসল-উৎসব ওয়ানগালা, হাতে বোনা দকমান্দা আর গড়ের আনারস মিলে মধুপুর টাঙ্গাইলের এক স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক অঞ্চল।

এক নজরে মধুপুর গড়

বিষয়তথ্য
ভূতাত্ত্বিক পরিচয়মধুপুর ট্র্যাক্ট: প্লাইস্টোসিন যুগের উঁচু চত্বরভূমি (বাংলাপিডিয়া)
পুরো ট্র্যাক্টের আয়তনপ্রায় ৪,২৪৪ বর্গকিলোমিটার
উচ্চতাআশপাশের প্লাবনভূমির চেয়ে ১ থেকে ১০ মিটার উঁচু
মাটিলাল বা বাদামি, পুষ্টিতে দুর্বল ও খানিকটা অম্লীয়
প্রধান বৃক্ষশাল (স্থানীয় নাম গজারি)
সংরক্ষিত এলাকামধুপুর জাতীয় উদ্যান
প্রধান জনগোষ্ঠীবাঙালি, গারো, কোচ এবং আরও কয়েকটি নৃগোষ্ঠী
বিশেষ উৎসবওয়ানগালা

"গড়" কী: লালমাটির পুরোনো ভূমি

বাংলাপিডিয়ার বিবরণে মধুপুর ট্র্যাক্ট দেশের মধ্যাঞ্চলের একটি বড় উঁচুভূমি; এর মূল অংশ জামালপুরের দক্ষিণ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা পর্যন্ত বিস্তৃত, এমনকি ঢাকা শহরের বেশির ভাগও এর ওপর দাঁড়িয়ে। বর্তমান রূপটি প্লাইস্টোসিন যুগের, তবে এর সূচনা মায়োসিন যুগের শেষভাগে হতে পারে বলেও মত আছে। নিচের স্তর "মধুপুর কাদা" নামে পরিচিত—অনেক দিন ধরে জারিত হওয়া লালচে-বাদামি এঁটেল মাটি, যাতে লোহার দানা ও ম্যাঙ্গানিজের ছোপ মেলে। এ কারণেই গড়ের মাটির রং লাল।

গড়ের ভূমি সমান নয়। উঁচু ঢিবির মতো জমিকে স্থানীয়ভাবে বলে "চালা", আর মাঝখানের নিচু উপত্যকা "বাইদ"; বাংলাপিডিয়া এই নিষ্কাশন-বিন্যাসকে গাছের শাখার মতো ছড়ানো বলে বর্ণনা করেছে। টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহে পড়া অংশটুকুই সাধারণভাবে "মধুপুর গড়" নামে পরিচিত বলে মধুপুর উপজেলা পোর্টাল জানায়।

শাল-গজারির বন

গড়ের বনের প্রধান গাছ শাল। শালের গোড়া বা শিকড় থেকে নতুন চারা গজায় বলে স্থানীয় মানুষ একে গজারি বনও বলে—এই ব্যাখ্যা উপজেলা পোর্টালের। পোর্টালের মতে সুন্দরবন ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি বনের পর এটি দেশের তৃতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বন, যার বিস্তার গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহজুড়ে। প্রতি বছর মে মাসের দিকে শালের পুরোনো পাতা ঝরে নতুন পাতা আসে, আর বর্ষা নামলে বন আবার ঘন সবুজ হয়ে ওঠে।

তবে বনের আয়তন অনেক কমেছে। বাংলাপিডিয়া লিখেছে, প্রায় পঞ্চাশ বছর আগেও শালই ছিল প্রধান গাছ; এখন পুরো ট্র্যাক্টে প্রায় ৬০০ বর্গকিলোমিটার বন অবশিষ্ট, আর বহু জায়গা দখল করেছে আকাশমণি ও ইউক্যালিপটাসের মতো বিদেশি গাছ। একই সূত্র অনুযায়ী উনিশ শতকের শেষে এ অঞ্চল থেকে হাতি ও গন্ডার হারিয়ে যায়, পরে বাঘ এবং আরও পরে ময়ূরও।

মধুপুর জাতীয় উদ্যান

টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের রসুলপুরে উদ্যানের প্রধান ফটক। প্রতিষ্ঠার সাল নিয়ে সূত্রভেদ আছে: বাংলাপিডিয়া ১৯৬২ সালকে প্রতিষ্ঠাকাল বলেছে, আর মধুপুর উপজেলা পোর্টাল বলছে, বনটি ১৯৬২ সালে বন বিভাগের অধীনে আসে এবং ১৯৭৪ সালের বন্যপ্রাণী আইনের আওতায় ১৯৮২ সালে জাতীয় উদ্যান ঘোষিত হয়। আয়তনও একেক সূত্রে একেক রকম—বাংলাপিডিয়ায় ২০,৮৩৭ একর, উপজেলা পোর্টালের আরেক পাতায় ২০,৬৪০ একর।

  • উদ্ভিদ: বাংলাপিডিয়া ও জেলা পোর্টাল অনুযায়ী ১৭৬ প্রজাতির উদ্ভিদ—৭৩টি বৃক্ষ, ২২টি গুল্ম, ২৭টি লতা, ৪৫টি ঔষধি, ৮টি ঘাস ও ১টি পাম প্রজাতি। শালের সঙ্গে বহেড়া, আমলকী, হলুদ, জিগা, ভাদি, অশ্বত্থ, বট, সর্পগন্ধা ও শতমূলী উল্লেখযোগ্য।
  • প্রাণী: প্রায় ১৯০ প্রজাতি—২১টি স্তন্যপায়ী, ১৪০টি পাখি ও ২৯টি সাপ। মুখপোড়া হনুমান, মায়া হরিণ, শজারু ও বুনো শূকর এর মধ্যে পরিচিত।
  • উদ্যানের ভেতরে: লহরিয়া বিট অফিসের কাছে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র ও উঁচু পর্যবেক্ষণ টাওয়ার আছে। দোখলার বন বিশ্রামাগারের সঙ্গে বাংলাদেশের সংবিধান রচনার স্মৃতি জড়িত বলে জেলা ও উপজেলা পোর্টাল উল্লেখ করেছে।

উদ্যানের দক্ষিণ দিক দিয়ে বয়ে গেছে বংশী নদী। কাছাকাছি আছে মধুপুরের রাবার বাগান, কাকরাইদ বীজ উৎপাদন খামার আর শোলাকুড়ির ভগবৎ দত্তের দিঘি।

গারো (আচিক মান্দি) সম্প্রদায়

বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী গারোরা নিজেদের "আচিক মান্দি" বলতে পছন্দ করেন এবং "গারো" নামটি বাইরের লোকের দেওয়া বলে মনে করেন। বাংলাদেশে তাঁদের বসতি টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও গাজীপুরে; ঘনবসতির এলাকাগুলোর মধ্যে মধুপুর অন্যতম।

  • মাতৃসূত্রীয় সমাজ: সম্পত্তির উত্তরাধিকার চলে মায়ের দিক থেকে, সন্তানেরা মায়ের গোত্রনাম পায়। সাধারণত সবচেয়ে ছোট মেয়েকে উত্তরাধিকারী (নকনা) হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। বাংলাপিডিয়া জানায়, এখন ছেলেরাও দলিলের মাধ্যমে জমির অংশ পাচ্ছেন।
  • গোত্র: প্রধান পাঁচ গোত্র সাংমা, মারাক, মোমিন, শিরা ও আরেং; একই গোত্রে বিয়ে নিষিদ্ধ।
  • ধর্ম: বেশির ভাগ গারো এখন খ্রিষ্টান, প্রধানত রোমান ক্যাথলিক। আগে তাঁরা প্রকৃতিনির্ভর প্রাচীন বিশ্বাস পালন করতেন, যার পুরোহিতকে বলা হতো খামাল।
  • ভাষা: জেলা পোর্টালের ভাষ্যে, মধুপুরের গারোরা প্রমিত আচিক রূপের বদলে নিজেদের আঞ্চলিক আবেং রূপে কথা বলেন, আর কর্মক্ষেত্রে বাংলা ব্যবহার করেন। গারো ভাষার নিজস্ব প্রাচীন লিপি না থাকা নিয়ে একটি কিংবদন্তি প্রচলিত আছে: অভিবাসনের পথে ক্ষুধার্ত এক ব্যক্তি নাকি চামড়ায় লেখা সব পুঁথি সেদ্ধ করে খেয়ে ফেলেছিলেন।

মধুপুর উপজেলা পোর্টালের বিবরণে উদ্যানের ভেতরে ও আশপাশে প্রায় ১৮৭টি গ্রামে গারো, কোচ, বর্মণসহ নানা সম্প্রদায়ের বাস। পীরগাছায় খ্রিষ্টান মিশন ও গির্জা, গারো কালচারাল সেন্টার এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাকের বিক্রয়কেন্দ্র আছে; জলছত্রেও একটি মিশন রয়েছে।

কোচ ও অন্যান্য নৃগোষ্ঠী

বাংলাপিডিয়ার মধুপুর উপজেলা নিবন্ধে গারোর পাশাপাশি কোচ জনগোষ্ঠীর কথা আছে। বাংলাপিডিয়ার কোচ নিবন্ধ অনুযায়ী তাঁরা দেশের প্রাচীন জনগোষ্ঠীগুলোর একটি; কোচবিহার থেকে এসে বৃহত্তর ময়মনসিংহে বসতি গড়েছিলেন। তাঁদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক, তবে সন্তান মায়ের গোত্রের পদবি পায়; ধর্মে তাঁরা হিন্দু, পাশাপাশি নিজস্ব দেবদেবীর পূজাও করেন। জেলা পোর্টাল জানায়, কোচদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও লিপি নেই। পোর্টালের "এক নজরে" পাতায় জেলার নৃগোষ্ঠী হিসেবে গারো, বংশী, কোচ, হাজং ও বর্মণের নাম আছে।

ওয়ানগালা: ফসলের জন্য ধন্যবাদ

ওয়ানগালা গারোদের সবচেয়ে বড় উৎসব। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে মধুপুর গড়ের গারোদের ওয়ানগালা উদযাপনের বিবরণ আছে, যেখানে বলা হয়েছে, নতুন ফসল দেবতাদের নিবেদন না করে তাঁরা নিজেরা খান না; দেবতাদের মধ্যে আছেন সৃষ্টিকর্তা তাতারা, রোগ সারানো ও সমৃদ্ধির দেবতা সুসুমি এবং শস্যদাতা মিসি সালজং। প্রথম আলোর একটি নিবন্ধে উৎসবের তিন দিনের ধাপ এভাবে এসেছে:

  • প্রথম দিন: গোলাঘরের দেবী, গৃহদেবতা ও মিসি সালজংয়ের উদ্দেশে নতুন ধান ও ফসল নিবেদন; প্রধান আচারের নাম রুগালা।
  • দ্বিতীয় দিন: ধূপ নিবেদন; বিশ্বাস করা হয়, এর ধোঁয়া পরের মৌসুমে বৃষ্টি ডেকে আনে।
  • তৃতীয় দিন: দেবতাদের বিদায় জানানো ও পরের বছর ফিরে আসার আহ্বান।

দামা (ঢোল) সহ নানা বাদ্যযন্ত্র, তলোয়ার-ঢাল হাতে নাচ আর বড় বৃত্তাকার দলনাচ উৎসবের মূল আকর্ষণ। নিবন্ধটি জানায়, ধর্মান্তরের পর অনেক পুরোনো আচার কমে গেছে; ফলে এখন উৎসব মূলত নাচ-গান ও কিছু রীতিতে সীমিত।

তাঁত: দকমান্দা ও রেশম

গারো নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক দকমান্দা। ২০২৬ সালে বিডিনিউজ২৪-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গারো ভাষায় "দক" ও "মান্দা" মিলিয়ে এই নাম; মধুপুরসহ টাঙ্গাইলের শালবনঘেঁষা এলাকায় গারো নারীরা বাড়িতেই কাঠের হস্তচালিত তাঁতে এটি বোনেন। প্রকৃতি, পাহাড়, ফুল-পাতার নকশা আর উজ্জ্বল রং এর বৈশিষ্ট্য। একটি সাধারণ নকশার দকমান্দা বুনতে এক-দুই সপ্তাহ লাগে, জটিল নকশায় লাগতে পারে প্রায় এক মাস। সুতা ও রঙের খরচ বৃদ্ধি, সস্তা কারখানার কাপড় আর নতুন প্রজন্মের আগ্রহ কমে যাওয়াকে প্রতিবেদনটি এই শিল্পের বড় চ্যালেঞ্জ বলেছে। জলছত্র এলাকায় নৃগোষ্ঠীর তাঁতে বোনা কাপড় ও রেশমবস্ত্রের বিক্রয়কেন্দ্রের কথা উপজেলা পোর্টালে আছে। দেখুন মধুপুরের আদিবাসী তাঁত ও রেশম।

আনারস: গড়ের লালমাটির ফসল

মধুপুরের আনারস ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পায়। এই চাষের সূচনাও গারো সমাজের সঙ্গে জড়িত: জেলা প্রশাসনের জিআই নথি অনুযায়ী আউশনারা ইউনিয়নের ইদিলপুর গ্রামের গারো বাসিন্দা ভেরেনো সাংমা গত শতকের ষাটের দশকে মেঘালয় থেকে জায়ান্ট কিউ জাতের চারা এনে প্রথম আনারস চাষ করেন। অন্যদিকে দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে একই গ্রামের মিধি দয়াময়ী সাংমাকে এর পথিকৃৎ বলা হয়েছে এবং সাল দেওয়া হয়েছে ১৯৪২। আনারসের প্রধান বাজার জলছত্র আনারসের হাট। বিস্তারিত: মধুপুরের আনারস।

বন ও ভূমি নিয়ে বিরোধ

বনের সীমানা, জমির মালিকানা ও বন ব্যবস্থাপনা নিয়ে বন বিভাগ এবং বনে বসবাসকারী গারো-কোচ জনগোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য আছে। ২০০০-এর দশকের শুরুতে বন বিভাগের ইকোপার্ক প্রকল্পে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে এ বিরোধ জাতীয় সংবাদমাধ্যমে আসে। দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৪ সালের ৩ জানুয়ারি প্রতিবাদ মিছিলে গুলিতে পীরেন স্নাল নামে এক গারো যুবক নিহত হন এবং অনেকে আহত হন; পরে প্রাচীর নির্মাণের কাজ বন্ধ করা হয়। বন সংরক্ষণ ও বনবাসী মানুষের অধিকার—দুই প্রশ্নই মধুপুরের আলোচনায় আজও প্রাসঙ্গিক।

বিস্তারিত প্রশাসনিক তথ্যের জন্য দেখুন মধুপুর উপজেলা।

তথ্যসূত্র

সাধারণ প্রশ্ন

মধুপুর গড়ের মাটি লাল কেন?

মধুপুর গড় প্লাইস্টোসিন যুগের একটি উঁচু চত্বরভূমি, যার নিচে আছে দীর্ঘদিন ধরে জারিত লালচে-বাদামি "মধুপুর কাদা"। এতে লোহার যৌগ থাকায় মাটির রং লাল বা বাদামি দেখায়।

মধুপুর জাতীয় উদ্যান কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

সূত্রভেদে দুটি সাল পাওয়া যায়। বাংলাপিডিয়া ১৯৬২ সালকে প্রতিষ্ঠাকাল বলেছে; মধুপুর উপজেলা পোর্টাল বলছে বনটি ১৯৬২ সালে বন বিভাগের অধীনে আসে এবং ১৯৮২ সালে জাতীয় উদ্যান ঘোষিত হয়।

গারোরা নিজেদের কী নামে ডাকেন?

গারোরা নিজেদের আচিক মান্দি বা সংক্ষেপে মান্দি বলেন। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী "গারো" নামটি বাইরের মানুষের দেওয়া এবং অনেকে এটি পছন্দ করেন না।

মধুপুরে কোন কোন নৃগোষ্ঠী বাস করে?

বাংলাপিডিয়া মধুপুরে গারো ও কোচ জনগোষ্ঠীর বসবাসের কথা বলেছে। উপজেলা পোর্টালে বর্মণসহ আরও কয়েকটি সম্প্রদায়ের নাম আছে, আর জেলা পোর্টাল জেলার নৃগোষ্ঠী হিসেবে গারো, বংশী, কোচ, হাজং ও বর্মণের উল্লেখ করেছে।

ওয়ানগালা উৎসব কখন হয়?

বর্ষা শেষে, শীতের আগে নতুন ফসল তোলার পর ওয়ানগালা হয়। দ্য ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে এর সময় সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি