মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ

টাঙ্গাইলের লোকসংস্কৃতি: লোকগান, লোকনাট্য, উৎসব, মেলা ও ওরস

ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ৯ মিনিটে পড়ুন

টাঙ্গাইল শহরে দর্শকের সামনে লাঠিখেলা
টাঙ্গাইল শহরে দর্শকের সামনে লাঠিখেলা · ছবি: Shamim Tirmizi · CC BY-SA 4.0 · উইকিমিডিয়া কমন্স

জারি-সারি, ভাটিয়ালি, মুর্শিদি থেকে সঙযাত্রা, নবান্ন, নৌকাবাইচ, ফাইলা পাগলার মেলা, আটিয়ার ওরস ও ওয়ানগালা—টাঙ্গাইলের লোকসংস্কৃতির পূর্ণ পরিচয়।

টাঙ্গাইলের লোকসংস্কৃতির প্রধান উপাদান হলো জারি, সারি, ভাটিয়ালি, মুর্শিদি-মারফতি, বাউল ও ঘাটুগানের মতো লোকসংগীত; সঙযাত্রা ও ভাসান যাত্রার মতো লোকনাট্য; নবান্ন, পৌষ সংক্রান্তি, বারুণী, অষ্টমী ও নৌকাবাইচের মতো লোকউৎসব; আর মাজার ও মন্দিরকে ঘিরে বসা মেলা ও ওরস। মধুপুরের গারো সম্প্রদায়ের ফসল-উৎসব ওয়ানগালাও জেলার সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ। নদী, চর আর লালমাটির গড় মিলে তৈরি এই জনপদের গান, ভাষা ও উৎসবে তাই বহু ধারার ছাপ মেলে।

এক নজরে টাঙ্গাইলের লোকসংস্কৃতি

ধারাযা যা আছে
লোকসংগীতধুয়া, জারি, সারি, রাখালি, বারোমাসি, পালাগান, পল্লীগীতি, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, মুর্শিদি, মারফতি, বিয়ের গান, ঘাটুগান, বাউলগান
লোকনাট্যসঙযাত্রা, বেহুলার গান বা ভাসান যাত্রা, ঘাটুগান
লোকউৎসবনবান্ন, পৌষ সংক্রান্তি, বারুণী, অষ্টমী, নৌকাবাইচ
মেলা ও ওরসফাইলা পাগলার মেলা, আটিয়ার ওরস, নবেবছ পাগলের ওরস, শোলাকুড়ির রাসমেলা
নৃগোষ্ঠীর উৎসবগারোদের ওয়ানগালা
লোকক্রীড়ালাঠিখেলা, নৌকাবাইচ, কাবাডি, ষাঁড়ের লড়াই, ঘোড়দৌড়

লোকসংগীত: মাঠ, নদী আর দরগার গান

টাঙ্গাইলে কোন কোন লোকগান জনপ্রিয়, তার প্রায় একই তালিকা পাওয়া যায় জেলা তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়ায়। ধুয়া, জারি, সারি, রাখালি, বারোমাসি, পালাগান, পল্লীগীতি, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, মুর্শিদি, মারফতি, বিয়ের গান, ঘাটুগান ও বাউলগান—এর সবই সেখানে আছে। বাংলাপিডিয়া বিচার গান ও কবিগানের কথাও বলেছে, আর জেলা পোর্টালের ভাষা-সংস্কৃতি অংশে মালসী, মেয়েলি গীত, সঙ, ছবকি গান, চটকা গান ও পুঁথিপাঠের নামও আছে।

  • জারি ও সারি: জারিতে সাধারণত শোক বা বীরত্বের কাহিনি গাওয়া হয়; সারি নৌকা বাওয়া ও দলবদ্ধ শ্রমের সঙ্গে যুক্ত গান।
  • ভাটিয়ালি: নদীপথের মাঝিমাল্লার একক, টানা সুরের গান, যা দুই সূত্রেই টাঙ্গাইলের জনপ্রিয় লোকগানের তালিকায় আছে।
  • মুর্শিদি-মারফতি ও বাউল: গুরু-ভক্তি আর আধ্যাত্মিক প্রশ্নের গান। মাজারকেন্দ্রিক মেলায়, যেমন ফাইলা পাগলার মেলায়, এসব গানের আসর বসার কথা উপজেলা পোর্টালে বলা হয়েছে।
  • বিয়ের গান ও মেয়েলি গীত: গায়েহলুদ থেকে কনেবিদায় পর্যন্ত নারীদের মুখে মুখে চলা গান।

জেলা পোর্টালের ভাষ্য অনুযায়ী, দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার পটভূমির বড় অংশ টাঙ্গাইল অঞ্চল, আর দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের ঠাকুরমার ঝুলির অনেক উপকরণও এখান থেকে সংগৃহীত। এই দাবির স্বাধীন গবেষণাভিত্তিক সমর্থন আমরা খুঁজে পাইনি, তাই একে পোর্টালের বক্তব্য হিসেবেই পড়া ভালো। বিস্তারিত তালিকা দেখুন লোকসংগীত পাতায়।

লোকনাট্য: সঙযাত্রা, ভাসান ও ঘাটু

জেলা পোর্টাল সঙযাত্রাকে টাঙ্গাইলের নিজস্ব লোকনাট্য বলে উল্লেখ করেছে। "সঙ" সেই অভিনেতা, যিনি ব্যঙ্গ আর ভাঁড়ামির ভেতর দিয়ে সমাজের অসংগতি তুলে ধরেন। রংপুর অঞ্চলের লেটো যাত্রার সঙ্গে এর কিছু মিল থাকলেও পরিবেশনের ধরন আলাদা। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত আছে, ব্রিটিশ আমলে সাজগিরি নামে এক সঙশিল্পী এই ধারায় বিপুল খ্যাতি পেয়েছিলেন। পোর্টালের তথ্যমতে বড় বাশালিয়া, ফলদা, বেতডুবা, নারান্দিয়া ও গোবিন্দাসীতে সঙের দল আছে; এর মধ্যে ফলদা, বড় বাশালিয়া ও বেতডুবার দল দেশের নানা জেলা ও টেলিভিশনেও সঙ পরিবেশন করেছে।

বেহুলা-লখিন্দরের কাহিনিনির্ভর ভাসান যাত্রা আর ঘাটুগানও একসময় এ অঞ্চলে খুব জনপ্রিয় ছিল। জমিদারবাড়িগুলোও মঞ্চের আশ্রয় দিয়েছে—নাগরপুর চৌধুরীবাড়ির ঝুলন দালানে শ্রাবণের পূর্ণিমা তিথিতে পূজার পাশাপাশি নাটক ও যাত্রা হতো বলে জেলা পোর্টালে উল্লেখ আছে।

শহরের মঞ্চনাটকের ইতিহাসও পুরোনো। ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাব; প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন আইনজীবী ও সমাজসেবী অমরেন্দ্রনাথ ঘোষ। এর আগের বছর, ১৯১০ সালে, টাঙ্গাইলে একটি কৃষি-শিল্প-সাংস্কৃতিক মেলায় রাতের নাট্যানুষ্ঠান দারুণ সাড়া ফেলেছিল—ক্লাব গড়ার প্রেরণা সেখান থেকেই বলে ধারণা করা হয়। পোর্টালের হিসাবে ১৯১১ থেকে ১৯২৫ সালের মধ্যে ক্লাবটি প্রায় ৩০টি নাটক মঞ্চে আনে। ১৯৪৪ সালে সন্তোষের জমিদার হেমেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরীর দেওয়া জমিতে, নিরালা মোড়ে, ক্লাবটি স্থানান্তরিত হয়।

লোকউৎসব: ঋতুর সঙ্গে বাঁধা দিনপঞ্জি

জেলা পোর্টাল ও বাংলাপিডিয়া দুই জায়গাতেই টাঙ্গাইলের প্রধান লোকউৎসব হিসেবে নবান্ন, পৌষ সংক্রান্তি, বারুণী ও অষ্টমীর নাম আছে; পোর্টাল এর সঙ্গে নৌকাবাইচ যোগ করেছে।

  • নবান্ন: আমন ধান ঘরে ওঠার পর নতুন চালের খাবার দিয়ে উদযাপন।
  • পৌষ সংক্রান্তি: পৌষের শেষ দিনে পিঠাপুলির আয়োজন।
  • বারুণী ও অষ্টমী: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তিথিভিত্তিক পুণ্যস্নান, নদী বা জলাশয়ের ঘাটে যার আয়োজন হয়।
  • নৌকাবাইচ: নাগরপুর উপজেলা পোর্টাল জানায়, নদীঘেরা এই এলাকায় বর্ষার ভাদ্র মাসে নৌকাবাইচ হয় এবং দূরদূরান্ত থেকে মানুষ তা দেখতে আসে। বাংলাপিডিয়াও নৌকাবাইচকে জেলার লোকক্রীড়ার তালিকায় রেখেছে।

পুরো দেশের মতো টাঙ্গাইলেও পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়। বৈশাখের সঙ্গে জড়িত একটি স্থানীয় আয়োজনের কথা সূত্রে পাওয়া যায়: মধুপুরের শোলাকুড়িতে বৈশাখী পূর্ণিমার মেলা (নিচে দেখুন)। এসব উৎসবের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি আছে লোকউৎসব পাতায়।

বাংলাপিডিয়ার তালিকায় টাঙ্গাইলের লোকক্রীড়া হিসেবে আছে লাঠিখেলা, নৌকাবাইচ, কাবাডি, ষাঁড়ের লড়াই, ঘোড়দৌড়, ধোপবাড়ি, গামছাবাড়ি ও টুনকিবাড়ির মতো খেলা।

মেলা ও ওরস

ফাইলা পাগলার মেলা

বাসাইল-সখিপুর সীমানায়, সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুরে ফাইলা পাগলার মাজার ঘিরে এই মেলা বসে। বাসাইল উপজেলা পোর্টালের বিবরণে আছে, জন্মস্থান বাসাইলের কাশিল ইউনিয়নের দেউলী গ্রাম; ডাকনাম ছিল ফাইলা। তাঁকে নিয়ে নানা অলৌকিক কাহিনি লোকমুখে প্রচলিত, আর মৃত্যুর পর ভক্তদের ইচ্ছায় দাড়িয়াপুরেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।

স্থানীয়দের বরাতে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মেলা প্রথম বসে ১৯৪৯ সালে। হিজরি রজব মাসের প্রথম দিন থেকে মাসজুড়ে মেলা চলে; ওরস হয় তিন দিন, আর পূর্ণিমার রাতে ভিড় সবচেয়ে বেশি। উপজেলা পোর্টাল অবশ্য মেলাটিকে তিন দিনের বলে উল্লেখ করেছে। মুর্শিদি-মারফতি গান এবং কদমা মিষ্টি এই মেলার পরিচিত আকর্ষণ। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মাদকসেবন ও অশ্লীলতার অভিযোগে উপজেলা প্রশাসন মেলা বন্ধ ঘোষণা করে, তবে ব্যবসায়ীদের অনুরোধে আরও তিন দিন শুধু দিনের বেলায় দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেয়। দেখুন ফাইলা পাগলার মেলা।

আটিয়ার ওরস

দেলদুয়ারের আটিয়ায় সুফি সাধক শাহান শাহ বাবা আদম কাশ্মিরীর মাজারে প্রতিবছর তিন দিনের ওরস হয় বলে দেলদুয়ার উপজেলা পোর্টাল জানিয়েছে। প্রচলিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আরবি "আতা" (দান) শব্দ থেকে আটিয়া নামের উৎপত্তি। মাজারের পাশেই সতেরো শতকের ঐতিহাসিক আতিয়া মসজিদ। আরও দেখুন আটিয়ার ওরস।

নবেবছ পাগলের ওরস

বাসাইল উপজেলা পোর্টালের বিবরণে, নবেবছ পাগলের প্রকৃত নাম নওয়াজেশ আলী; ১৯১০ থেকে ১৯১৫ সালের মধ্যে কোনো এক সময়ে কাউলজানী ইউনিয়নের বার্থা গ্রামে তাঁর জন্ম, আর ১৯৯৩ সালে সেখানেই মৃত্যু। লোকমুখে শোনা যায়, তিনি জলা-জঙ্গলের বাসাইলকে একদিন আলো-ঝলমলে "চাঁদ শহর" হয়ে উঠতে দেখার কথা বলতেন। বার্থায় তাঁর মাজারে মাঘ মাসে ওরস হয়। দেখুন নবেবছ পাগলের ওরস।

শোলাকুড়ির রাসমেলা ও বৈশাখী মেলা

মধুপুর উপজেলা পোর্টাল জানায়, শোলাকুড়ি গ্রামে ভগবৎ দত্তের দিঘির পাড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রাচীন মন্দির আছে, যেখানে বৈশাখের পূর্ণিমায় শিবপূজা ও রাসমেলা বসে। স্থানীয় বিবরণে ভগবৎ দত্তকে সুলতানি আমলের এক সামন্ত রাজা বলা হয়। বাংলাপিডিয়া মধুপুরের মেলার তালিকায় "শোলাকুড়ি বৈশাখী মেলা"-র পাশাপাশি গোপাল আঙিনা গোষ্ঠযাত্রা মেলা ও জয়তেঁতুল দেবতা মেলার নাম দিয়েছে। দেখুন শোলাকুড়ির রাসমেলা ও শিবপূজা।

ওয়ানগালা: মধুপুরের গারোদের ধন্যবাদ-উৎসব

জেলা পোর্টাল মধুপুরের নৃগোষ্ঠীর ওয়ানগালাকে জেলার "বিশেষ উৎসব" হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। গারো (আচিক মান্দি) সম্প্রদায় নতুন ফসল নিজেরা খাওয়ার আগে তা শস্যদেবতা মিসি সালজংকে নিবেদন করে কৃতজ্ঞতা জানায়—এটাই উৎসবের মূল ভাব। প্রথম আলোর একটি নিবন্ধে বলা হয়েছে, "ওয়ানা" (দেবতার দান) আর "গালা" (নিবেদন) মিলে নামটি এসেছে; বর্ষা শেষে, শীতের আগে, নতুন ফসল তোলার সময় এর আয়োজন হয়। ঐতিহ্যগতভাবে তিন দিনের এই উৎসবের প্রথম দিনের প্রধান আচারের নাম রুগালা; দামা (ঢোল) সহ নানা বাদ্যযন্ত্রে সাজানো নাচ-গান এর প্রাণ। ধর্মান্তরের পর আচার কমে এসে এখন উৎসব মূলত নাচ-গান আর কিছু প্রতীকী রীতিতে সীমিত বলেও নিবন্ধটি জানায়। বিস্তারিত: ওয়ানগালা উৎসব।

আঞ্চলিক ভাষা ও লোকসাহিত্য

জেলা পোর্টালের পর্যবেক্ষণ হলো, টাঙ্গাইলের উত্তরাঞ্চলের উচ্চারণে ময়মনসিংহের টান আর পশ্চিমে সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলের সুর স্পষ্ট; সদর থেকে অল্প দূরত্বেই শব্দ ও উচ্চারণ বদলে যায়। পুঁথিকার শাহজাহান মিঞা তাঁর "আগেকার ম্যালা কথা" পুঁথিতে এমন অনেক আঞ্চলিক শব্দ ধরে রেখেছেন। কয়েকটি উদাহরণ:

আঞ্চলিক শব্দপ্রমিত অর্থ
তফনলুঙ্গি
দেওয়াবৃষ্টি
গুয়াসুপারি
দামানজামাই
শালুনতরকারি
গেদাছোট ছেলে
জারশীত
উগারমাচা

মধুপুর অঞ্চলের গারোরা প্রমিত আচিক ভাষার বদলে নিজেদের আঞ্চলিক আবেং রূপে কথা বলেন বলে পোর্টাল উল্লেখ করেছে। লোকশিল্পের দিক থেকে নকশি কাঁথা ও মৃৎফলক এবং একসময়ের বাহন টমটম গাড়ি-ও এই লোকঐতিহ্যের অংশ।

তথ্যসূত্র

সাধারণ প্রশ্ন

টাঙ্গাইলের প্রধান লোকগানগুলো কী কী?

জেলা পোর্টাল ও বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী টাঙ্গাইলে ধুয়া, জারি, সারি, রাখালি, বারোমাসি, পালাগান, পল্লীগীতি, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, মুর্শিদি, মারফতি, বিয়ের গান, ঘাটুগান ও বাউলগান জনপ্রিয়। মাজারকেন্দ্রিক মেলায় মুর্শিদি-মারফতি গানের আসর বিশেষভাবে চোখে পড়ে।

সঙযাত্রা কী এবং টাঙ্গাইলের কোথায় এর দল আছে?

সঙযাত্রা ব্যঙ্গ ও কৌতুকের মাধ্যমে সমাজের অসংগতি দেখানোর লোকনাট্য, যাকে জেলা পোর্টাল টাঙ্গাইলের নিজস্ব ঐতিহ্য বলেছে। বড় বাশালিয়া, ফলদা, বেতডুবা, নারান্দিয়া ও গোবিন্দাসীতে সঙের দল আছে বলে পোর্টালে উল্লেখ আছে।

ফাইলা পাগলার মেলা কোথায় ও কখন হয়?

মেলাটি সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুরে ফাইলা পাগলার মাজার ঘিরে বসে, জায়গাটি বাসাইল-সখিপুর সীমানায়। সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে এটি হিজরি রজব মাসের শুরু থেকে চলে; তবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে উপজেলা প্রশাসন অভিযোগের ভিত্তিতে মেলা বন্ধ ঘোষণা করেছিল।

টাঙ্গাইলে কোথায় নৌকাবাইচ হয়?

নাগরপুর উপজেলা পোর্টাল অনুযায়ী নদীবেষ্টিত নাগরপুরে বর্ষাকালে ভাদ্র মাসে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা হয়। বাংলাপিডিয়াও নৌকাবাইচকে টাঙ্গাইলের লোকক্রীড়ার মধ্যে গণ্য করেছে।

ওয়ানগালা উৎসব কারা পালন করে?

মধুপুর গড়ের গারো (আচিক মান্দি) সম্প্রদায় ওয়ানগালা পালন করে। নতুন ফসল ঘরে তোলার পর শস্যদেবতা মিসি সালজংকে ধন্যবাদ জানানোই এর মূল উদ্দেশ্য, সঙ্গে থাকে দামা-বাদ্য আর দলবদ্ধ নাচ।

মূল সূত্র: টাঙ্গাইল জেলা তথ্য বাতায়ন — ভাষা ও সংস্কৃতি

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি