
টাঙ্গাইল শাড়ি, পোড়াবাড়ির চমচম, মধুপুরের আনারস ও জামুর্কির সন্দেশ — টাঙ্গাইলের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যগুলোর তালিকা, স্বীকৃতির তারিখ ও সূত্র।
ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হলো এমন পণ্যের আইনি স্বীকৃতি, যার মান ও খ্যাতি একটি নির্দিষ্ট এলাকার সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) জিআই নিবন্ধন দেয়। টাঙ্গাইলের সবগুলো জিআইয়ের আবেদনকারী জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইল।
নিবন্ধিত জিআই পণ্য (অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত)
| পণ্য | এলাকা | স্বীকৃতি |
|---|---|---|
| টাঙ্গাইল শাড়ি | দেলদুয়ার, সদর, কালিহাতীসহ তাঁতপল্লী | ফেব্রুয়ারি ২০২৪; ইউনেস্কো তালিকা ডিসেম্বর ২০২৫ |
| পোড়াবাড়ির চমচম | টাঙ্গাইল সদর | স্বীকৃতির ঘোষণা ১ জানুয়ারি ২০২৪ |
| মধুপুরের আনারস | মধুপুর | সনদ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ (জিআই-৫২) |
| জামুর্কির সন্দেশ | মির্জাপুর | সনদ হস্তান্তর ৩০ এপ্রিল ২০২৫ |
আবেদন প্রক্রিয়াধীন
জেলা প্রশাসনের ২০২৪ সালের নথি অনুযায়ী আরও তিনটি পণ্যের জিআই আবেদন প্রক্রিয়াধীন। অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত এগুলোর নিবন্ধনের খবর পাওয়া যায়নি:
- কাগমারীর কাঁসা-পিতল
- নারান্দিয়ার মুড়ি, কালিহাতী
- ইন্দুটির দই, কালিহাতী
জিআই স্বীকৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ
জিআই স্বীকৃতি পণ্যের নামের অপব্যবহার ঠেকাতে আইনি সুরক্ষা দেয়, স্থানীয় উৎপাদকদের বাজারে আলাদা পরিচিতি তৈরি করে, আর ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান সংরক্ষণে সাহায্য করে।
সাধারণ প্রশ্ন
টাঙ্গাইলের কয়টি জিআই পণ্য আছে?
অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত টাঙ্গাইলের চারটি পণ্য বাংলাদেশের জিআই হিসেবে নিবন্ধিত: টাঙ্গাইল শাড়ি, পোড়াবাড়ির চমচম, মধুপুরের আনারস ও জামুর্কির সন্দেশ।
টাঙ্গাইলের জিআই পণ্যের আবেদন কে করেছেন?
চারটি নিবন্ধিত পণ্যেরই আবেদনকারী জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইল।
আর কোন পণ্যের জিআই আবেদন চলছে?
জেলা প্রশাসনের নথি অনুযায়ী কাঁসা-পিতল, নারান্দিয়ার মুড়ি ও ইন্দুটির দইয়ের আবেদন প্রক্রিয়াধীন।
কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি