মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ

টাঙ্গাইল ভ্রমণ গাইড

নাগরপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান

Nagarpur Central Cremation Ground

ধরন
ধর্মীয় স্থান
অবস্থান
নাগরপুর, টাঙ্গাইল
শহর থেকে (সোজা দূরত্ব)
প্রায় ২২ কিমি
সেরা সময়
সারা বছর
পড়তে লাগবে
২ মিনিট

নাগরপুরের মামুদনগরে প্রায় চার একর জমিতে দানশীল ভজ গোবিন্দ সাহার নামে পরিচিত কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান, এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান শ্মশান।

পরিচিতি

নাগরপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান নাগরপুর উপজেলা সদরের মামুদনগরে অবস্থিত। এর আনুষ্ঠানিক পরিচয় ‘মামুদনগর স্বর্গীয় ভজ গোবিন্দ সাহা মহাশয়ের শ্মশানঘাট’। প্রায় চার একর জমির ওপর গড়া এই শ্মশানে এলাকার সব স্তরের হিন্দু সম্প্রদায়ের শবদাহ হয়।

এটি পর্যটনকেন্দ্র নয়, বরং ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্বের একটি স্থান। স্থানীয় ইতিহাসে আগ্রহী কেউ এলে শ্রদ্ধা ও সংযম বজায় রেখে দূর থেকে দেখাই শোভন।

ইতিহাস ও নামকরণ

নাগরপুর উপজেলা তথ্য বাতায়নের বিবরণ অনুযায়ী, ভজ গোবিন্দ সাহা ১২৬২ বঙ্গাব্দে নাগরপুরের বাবনাপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন; তাঁর বাবা ছিলেন রাম গোবিন্দ সাহা। কলকাতায় ব্যবসা করে তিনি এলাকায় সৎ, বিত্তশালী ও দানশীল মানুষ হিসেবে পরিচিতি পান।

১৩২৮ বঙ্গাব্দে তাঁর মৃত্যুর পর মামুদনগর মৌজার গোরদহ পাড়ায় তাঁকে দাহ করা হয়। পরে সেই জায়গায় মামুদনগর নামে চার একর জমিতে এই মহাশ্মশান প্রতিষ্ঠিত হয়। একজন ব্যক্তির নামে পরিচিত হলেও শ্মশানটি পুরো এলাকার কেন্দ্রীয় শ্মশান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ভ্রমণ টিপস ও সতর্কতা

  • এটি শবদাহের স্থান; দাহ বা শেষকৃত্য চলাকালে ভেতরে যাবেন না এবং ছবি তুলবেন না।
  • শোকার্ত পরিবারের গোপনীয়তা ও অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখান।
  • শালীন পোশাক পরুন, নিচু স্বরে কথা বলুন।
  • শ্মশান কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয়দের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলুন।
  • তথ্যগুলো সরকারি তথ্য বাতায়ন থেকে নেওয়া, সরেজমিন যাচাই বাকি।

নাগরপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান-এ কীভাবে যাবেন

টাঙ্গাইল শহর থেকে: টাঙ্গাইল–আরিচা সড়ক ধরে নাগরপুর উপজেলা সদরে যান। সদর থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় মামুদনগরের মহাশ্মশান; স্থানীয়দের কাছে ‘কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান’ বললেই চেনেন।

ভাড়া, সময় ও রাস্তার অবস্থা বদলায় — রওনা দেওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত হয়ে নিন।

সাধারণ প্রশ্ন

নাগরপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান কোথায়?

নাগরপুর উপজেলা সদরের মামুদনগরে।

শ্মশানটি কার নামে পরিচিত?

দানশীল ব্যক্তি ভজ গোবিন্দ সাহার নামে, যিনি ১৩২৮ বঙ্গাব্দে মারা যান এবং যাঁকে এখানেই দাহ করা হয়।

শ্মশানটি কত জায়গাজুড়ে?

প্রায় চার একর জমির ওপর।

নাগরপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান কোথায় অবস্থিত?

নাগরপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলায় অবস্থিত। টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্র থেকে সোজা দূরত্বে প্রায় ২২ কিমি।

নাগরপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান-এ কীভাবে যাবেন?

টাঙ্গাইল শহর থেকে: টাঙ্গাইল–আরিচা সড়ক ধরে নাগরপুর উপজেলা সদরে যান। সদর থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় মামুদনগরের মহাশ্মশান; স্থানীয়দের কাছে ‘কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান’ বললেই চেনেন।

নাগরপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান ভ্রমণের উপযুক্ত সময় কখন?

সারা বছর; দিনের বেলা, শেষকৃত্যের সময় এড়িয়ে

তথ্যসূত্র

  • নাগরপুর কেন্দ্রীয় মহা শ্মশান — নাগরপুর উপজেলা তথ্য বাতায়ন

লেখাটি এসব সূত্রের তথ্য মিলিয়ে আমাদের নিজের ভাষায় লেখা। কোনো ভুল চোখে পড়লে জানান।

সূত্র: সরকারি তথ্য বাতায়ন (জেলা/উপজেলা পোর্টাল); অবস্থান: OpenStreetMap; সরেজমিন যাচাই বাকি· শেষ যাচাই: ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

কাছের আরও দর্শনীয় স্থান

সব দেখুন
নাগরপুরের চৌধুরী বাড়ি (জমিদার বাড়ি)
ঐতিহাসিক স্থাপনা•নাগরপুর

নাগরপুর জমিদার বাড়ি (চৌধুরী বাড়ি)

নাগরপুর সদরে ৫৪ একরজুড়ে গড়া চৌধুরী জমিদারদের বাড়ি — শ্বেতপাথরের মূল ভবনে এখন মহিলা কলেজ, পাশে ঘোড়ার দালান, ঝুলন দালান ও উপেন্দ্র সরোবর।

পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি, নাগরপুর
ঐতিহাসিক স্থাপনা•নাগরপুর

পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি

নাগরপুরের পাকুটিয়ায় ধলেশ্বরীর তীরে একই নকশার তিনটি প্রাসাদ নিয়ে গড়া জমিদার বাড়ি; নারীমূর্তি আর লতাপাতার অলংকরণ দেখতে আসেন অনেকে।

আতিয়া জামে মসজিদের বাইরের দৃশ্য, দেলদুয়ার
ধর্মীয় স্থান•দেলদুয়ার

আতিয়া মসজিদ

দেলদুয়ারের আতিয়া গ্রামে লৌহজং নদীর পাড়ে সতেরো শতকের মোগল আমলের মসজিদ; টেরাকোটা অলংকরণ আর চালাঘরের মতো বাঁকা কার্নিশের জন্য বিখ্যাত।