মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ

পূজার বাজারে কারদানা জামদানির চাহিদা, মজুরি নিয়ে চাপে তাঁতিরা

অর্থনীতি ও ব্যবসা টাঙ্গাইল ডট নেট ডেস্ক ২ মিনিটে পড়ুন দেলদুয়ার

প্রতীকী ছবি: দেলদুয়ার, টাঙ্গাইল
প্রতীকী ছবি: দেলদুয়ার, টাঙ্গাইল · ছবি: প্রতীকী ছবি — Iftesam · CC BY-SA 4.0 · উইকিমিডিয়া কমন্স

পুঁতির কারুকাজ করা হাফসিল্ক কারদানা জামদানি এবার পূজার বাজারে সাড়া ফেলেছে। তবে কম মজুরি, সুতার বাড়তি দাম ও পাওয়ারলুমের প্রতিযোগিতায় চাপে তাঁতিরা।

দুর্গাপূজা সামনে রেখে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইলসহ তাঁতপল্লিগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠেছে। এবারের মৌসুমে আলাদা করে নজর কেড়েছে কারদানা জামদানি, অর্থাৎ হাফসিল্ক জামদানির জমিনে ছোট পুঁতি বসিয়ে তৈরি নতুন ধরনের শাড়ি। প্রথম আলোর প্রতিবেদন বলছে, চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে তাঁতিরা সময়মতো জোগান দিতে পারছেন না।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদুল আজহার আগে অল্প কিছু কারদানা জামদানি বাজারে এলেও তখন তেমন সাড়া মেলেনি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বাড়লে পূজার আগে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, যশোর ও মাগুরার ব্যবসায়ীরা এর খোঁজ করতে থাকেন। একটি শাড়িতে পুঁতি বসাতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগে, তাই উৎপাদন দ্রুত বাড়ানো যাচ্ছে না।

পাইকারি বাজারে পুরো জমিনে কাজ করা কারদানা জামদানি মানভেদে সাড়ে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুধু আঁচল ও জমিনের অংশবিশেষে কাজ থাকলে দাম ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা। হাফসিল্ক, টাঙ্গাইল জামদানি ও সুতি শাড়ির বিক্রিও ভালো বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

উৎসবের ভিড়েও তাঁতিদের দুশ্চিন্তা

বাজার চাঙা হলেও মজুরি নিয়ে তাঁতিদের অসন্তোষ কাটেনি। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে এক তাঁতি জানিয়েছেন, দুই দিনে একটি হাফসিল্ক শাড়ি বুনে তিনি পান ৭০০ টাকা, যা ধানকাটার দিনমজুরির চেয়েও কম। টাঙ্গাইল জেলা শাড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতির হিসাবে, একসময় প্রায় পাঁচ হাজার তাঁত চালু থাকলেও এখন টিকে আছে সাড়ে চারশোর মতো। অল্প কয়েক দিনে সুতার দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে বলেও জানান তিনি। পাওয়ারলুমে তৈরি সস্তা শাড়ির প্রতিযোগিতাকেও সংকটের বড় কারণ মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সের একজন পরিচালকের প্রত্যাশা, এবারের পূজায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার পিস শাড়ি বিক্রি হবে। ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল শাড়ি ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি পায়। খাতটি টিকিয়ে রাখতে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তাঁতি ও ব্যবসায়ীরা।

তথ্যসূত্র

মূল সূত্র: প্রথম আলো

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি