
সাড়ে ১৩ কিলোমিটার এলেঙ্গা-যমুনা সেতু অংশে চার লেনের কাজ ৫২ থেকে ৫৫ শতাংশ শেষ। ব্যয় বেড়ে প্রায় ৭০৪ কোটি টাকা, মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।
ঢাকা-উত্তরবঙ্গ সড়ক যোগাযোগের প্রধান পথ টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার অংশকে চার লেনে উন্নীত করার কাজ সাড়ে তিন বছরে প্রায় অর্ধেক এগিয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের হিসাবে অগ্রগতি ৫২ শতাংশ, আর যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের হিসাবে ৫৫ শতাংশ। ১৪ অক্টোবর ঢাকা ট্রিবিউন বাংলার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সাসেক-২ কর্মসূচির আওতায় এই অংশের কাজ করছে আব্দুল মোনেম লিমিটেড। দরপত্রের মাধ্যমে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কাজটি দেওয়া হয়, মাঠে কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের মার্চে। শুরুতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৯৩ কোটি টাকা, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০৪ কোটি টাকায়। প্রথম দফায় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর করা হয়েছে।
কোন কাজ কতদূর
- এলেঙ্গা ও যমুনা সেতুর মাঝে ৮টি সেতু ও ১০টি কালভার্টের নির্মাণ শেষ।
- মাঝের ১০ কিলোমিটার সড়কের ৭ কিলোমিটারের কাজ সম্পন্ন।
- তিনটি আন্ডারপাসের পাইলিং শেষ, এখন কলামের কাজ চলছে।
- এলেঙ্গা ফ্লাইওভারের পাইলিং প্রায় শেষ, গার্ডার বসানোর কাজ চলছে।
ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজের জন্য এলেঙ্গায় মহাসড়ক সরু হয়ে যাওয়ায় প্রায়ই যানজট তৈরি হচ্ছে। দুর্গাপূজার ছুটিতেও এ অংশে যান চলাচলে ধীরগতির আশঙ্কার কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের ২৪ জেলার যানবাহন এই পথ দিয়েই চলাচল করে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প ব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, বাড়ানো মেয়াদের মধ্যেও পুরো কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না। যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন অগ্রগতিকে প্রত্যাশার চেয়ে কম বলে মন্তব্য করেছেন। কাজের গতি বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি আরও ছয় মাস সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন।
জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেনের কাজ আগেই শেষ হয়েছে। এলেঙ্গা-যমুনা সেতু অংশটি বাকি থাকায় পুরো করিডরের সুফল এখনো পুরোপুরি মিলছে না।
তথ্যসূত্র
- ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা — প্রকাশ 2026-10-14
মূল সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা
কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি