মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ

সখীপুরে চার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামবিভ্রাট, বরাদ্দেও জটিলতা

শিক্ষা টাঙ্গাইল ডট নেট ডেস্ক ১ মিনিটে পড়ুন সখিপুর

প্রতীকী ছবি: সখিপুর, টাঙ্গাইল
প্রতীকী ছবি: সখিপুর, টাঙ্গাইল · ছবি: প্রতীকী ছবি — Tms masum · CC BY-SA 4.0 · উইকিমিডিয়া কমন্স

কীর্তনখোলা ও কালিয়ানপাড়ার দুই বিদ্যালয়ের নাম পাশের গ্রামের নামে, আরেক এলাকায় একই নামের দুটি স্কুল। নাম বদলের আবেদন এখনো ঝুলে আছে।

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার চারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম নিয়ে দীর্ঘদিনের বিভ্রান্তি এখনো কাটেনি। নামের এই জটে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের পাশাপাশি সরকারি দপ্তরও ঝামেলায় পড়ছে বলে ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রথম জোড়াটি পাশাপাশি দুই গ্রাম কীর্তনখোলা ও কালিয়ানপাড়ায়। ১৯৩৮ সালে কীর্তনখোলা গ্রামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির নাম কালিয়ানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আবার ১৯৬৫ সালে কালিয়ানপাড়া গ্রামে গড়ে ওঠা বিদ্যালয়ের নাম রাখা হয় কীর্তনখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে দুটি স্কুলের নামই পাশের গ্রামকে নির্দেশ করে। স্থানীয়দের ভাষ্য, ২০১৭ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় এক কেন্দ্রে গোলযোগের খবর পেয়ে পুলিশ নামের কারণে প্রথমে ভুল বিদ্যালয়ে পৌঁছেছিল।

একই নামে দুই বিদ্যালয়

প্রতিমাবংকী উত্তরপাড়ায় মাত্র ৫০০ গজের ব্যবধানে দুটি বিদ্যালয়ের নাম হুবহু এক। একটি ১৯৯৬ সালে বেসরকারি সংস্থা পরিচালিত কমিউনিটি স্কুল হিসেবে এবং অন্যটি ২০০২ সালে রেজিস্টার্ড বিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০১৩ সালে জাতীয়করণের সময় দুটির নামের সঙ্গেই 'সরকারি' শব্দ যুক্ত হওয়ায় নাম অভিন্ন হয়ে যায়। একটি দরিয়াপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে, অন্যটি সখীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে। আপাতত উপজেলা শিক্ষা অফিস নামের শেষে '১' ও '২' যোগ করে দুটিকে আলাদা করেছে।

তবে এই বিভ্রান্তির প্রভাব পড়েছে সরকারি বরাদ্দেও। সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক জানান, একটি বিদ্যালয়ের ভবন ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের বরাদ্দ ভুলবশত অন্য বিদ্যালয়ের কোড নম্বরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। যে বিদ্যালয়ের কোডে বরাদ্দ গেছে, সেখানে সম্প্রসারণযোগ্য ভবনই নেই। ফলে কোনো বিদ্যালয়ই সেই অর্থ কাজে লাগাতে পারেনি। নাম বদলের জন্য গ্রামবাসীর সই করা আবেদন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হলেও এখনো সাড়া মেলেনি।

সখীপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, স্থানীয় অংশীজন ও জনপ্রতিনিধিরা একমত হলে বিদ্যালয়গুলোর নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

তথ্যসূত্র

মূল সূত্র: প্রথম আলো

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি