মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ

টাঙ্গাইলে প্রথমবারের মতো রেমিট্যান্স উৎসব, বৈধ পথে টাকা পাঠানোর আহ্বান

অর্থনীতি ও ব্যবসা টাঙ্গাইল ডট নেট ডেস্ক ১ মিনিটে পড়ুন টাঙ্গাইল সদর

প্রতীকী ছবি: টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল
প্রতীকী ছবি: টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল · ছবি: প্রতীকী ছবি — P.K.Niyogi · Public domain · উইকিমিডিয়া কমন্স

‘টাকা আসে, ভবিষ্যৎ গড়ে’ প্রতিপাদ্যে ১৫ অক্টোবর শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে দিনব্যাপী উৎসব। প্রবাসী আয়ের সঞ্চয় ও বিনিয়োগ নিয়ে পরামর্শ দেয় প্রায় ৫০টি স্টল।

প্রবাসী আয়ের পরিকল্পিত ব্যবহার এবং বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহ দিতে টাঙ্গাইলে প্রথমবারের মতো দিনব্যাপী রেমিট্যান্স উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জেলা শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ‘টাকা আসে, ভবিষ্যৎ গড়ে’ প্রতিপাদ্যে এ আয়োজন হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক ফিতা কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন।

উৎসবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০টি স্টল ছিল। এসব স্টল থেকে রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা, সঞ্চয়, ব্যাংকিং সেবা, নিরাপদ অভিবাসন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন নিয়ে তথ্য ও পরামর্শ দেওয়া হয়। স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা নিজেদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন ও বিক্রি করেন। নাগরিক টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়োজনের অংশ হিসেবে আন্তঃবিদ্যালয় আর্থিক সাক্ষরতা কুইজ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতাও হয়।

কারা অংশ নিলেন

প্রবাসীদের পরিবারের সদস্য, বিদেশফেরত কর্মী, বিদেশে যেতে আগ্রহী তরুণ, নারী উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীরা উৎসবে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ব্যুরো বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, প্রবাসীদের কষ্টের আয় শুধু দৈনন্দিন খরচে শেষ না করে সঞ্চয় ও আয়বর্ধক কাজে লাগালে পরিবারের আর্থিক স্থিতি আসে, দেশের অর্থনীতিও উপকৃত হয়। জেলা প্রশাসক বলেন, প্রবাসীরা যেন বৈধ পথে টাকা পাঠান এবং সেই অর্থ সঠিক কাজে ব্যয় হয়, সে জন্যই এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। অংশগ্রহণকারীরাও ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠানো নিরাপদ বলে মত দেন।

আয়োজকেরা আশা করছেন, উৎসবটি প্রবাসী পরিবার, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি