মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ

টাঙ্গাইলের অর্থনীতি: কৃষি, তাঁতশিল্প, কুটিরশিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য

অর্থনীতি ৯ মিনিটে পড়ুন

তাঁতপল্লীতে রোদে শুকাতে দেওয়া রঙিন সুতা
তাঁতপল্লীতে রোদে শুকাতে দেওয়া রঙিন সুতা · ছবি: P.K.Niyogi · Public domain · উইকিমিডিয়া কমন্স

টাঙ্গাইলের অর্থনীতির ভিত্তি কৃষি; সঙ্গে তাঁতশিল্প, মধুপুরের আনারস-কাঁঠাল, কাঁসা-পিতল, মিষ্টি ও গোড়াই শিল্প এলাকা। জেলায় কোনো অর্থনৈতিক অঞ্চল নেই।

টাঙ্গাইলের অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষি। এর সঙ্গে আছে দেশজোড়া খ্যাতির তাঁতশিল্প, মধুপুরের আনারস-কাঁঠালসহ ফলের বাণিজ্য, মিষ্টান্ন ও কুটিরশিল্প, আর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা কিছু শিল্পকারখানা। বাংলাপিডিয়ার ২০১১ সালের শুমারিভিত্তিক তথ্যে জেলার পরিবারগুলোর আয়ের প্রায় ৫৭ শতাংশ আসত কৃষি থেকে, ব্যবসা থেকে প্রায় ১৩ শতাংশ। তবে জেলায় এখনো কোনো চালু অর্থনৈতিক অঞ্চল বা হাই-টেক পার্ক নেই।

আয়ের উৎস: এক নজরে

বাংলাপিডিয়া ২০১১ সালের জনশুমারির ভিত্তিতে টাঙ্গাইলের মানুষের আয়ের প্রধান উৎসগুলোর যে ভাগ দেখিয়েছে:

আয়ের উৎসঅংশ
কৃষি৫৭.২৮%
ব্যবসা১৩.০৭%
চাকরি৭.৯৪%
পরিবহন ও যোগাযোগ৩.৬৩%
শিল্প৩.৪২%
অকৃষি শ্রমিক২.৮৭%
ভাড়া ও রেমিট্যান্স২.১২%
নির্মাণ১.২৩%
ধর্মীয় সেবা০.১৯%
অন্যান্য৮.২৫%

এই হিসাব প্রায় দেড় দশক পুরোনো; পরের জনশুমারির পেশাভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য এই লেখার সূত্রে পাওয়া যায়নি। তবু এটি জেলার অর্থনীতির কাঠামো বোঝার জন্য কাজে লাগে: অধিকাংশ পরিবার এখনো জমি ও ফসলের ওপর নির্ভরশীল। প্রবাস আয়ের আলাদা নির্ভরযোগ্য জেলাভিত্তিক হিসাব পাওয়া যায়নি বলে এখানে তা দেওয়া হলো না।

কৃষি: ধান-পাট থেকে আনারস

জেলা তথ্য বাতায়নের বর্ণনায় টাঙ্গাইলের প্রধান ফসল ধান, পাট, আখ, গম, সরিষা ও শাকসবজি। উপজেলাভেদে ফসলের বৈচিত্র্য চোখে পড়ার মতো:

  • যমুনা ও ধলেশ্বরী তীরের নিচু জমি (ভূঞাপুর, কালিহাতী, নাগরপুর, টাঙ্গাইল সদর): ধান, পাট, সরিষা, গম, আলু ও ডাল। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী কালিহাতী থেকে কলা, পেঁয়াজ, রসুন ও আদা এবং নাগরপুর থেকে ধান, পাট, কলা ও আখ বাইরে যায়।
  • পাট: জেলা বাতায়নের পুরোনো বিবরণে গোপালপুর-এর পাটকে জেলার সেরা মানের বলা হয়েছে। অথচ জেলায় তখন কোনো পাটকল বা বড় পাট ক্রয়কেন্দ্র না থাকায় কৃষক ন্যায্য দাম পেতেন না বলেও সেখানে উল্লেখ আছে।
  • আখ: সদর, ভূঞাপুর, দেলদুয়ার, নাগরপুর ও কালিহাতীতে আখের চাষ হয়; কয়েকটি উপজেলা থেকে আখের গুড় বাইরে যায়। তবে জেলায় কোনো চিনিকল গড়ে ওঠেনি।
  • শীতের সবজি: শীতে বাঁধাকপি, ফুলকপি, আলুসহ নানা সবজির ভালো ফলন হয়।

মধুপুর গড়ের ফল: আনারস, কাঁঠাল, কলা

পূর্ব দিকের লালমাটির গড় অঞ্চল জেলার কৃষিকে আলাদা পরিচয় দিয়েছে। মধুপুর, ঘাটাইল ও সখিপুরে আনারস, কাঁঠাল, কলা, পেঁপে ও লিচুর মতো ফল প্রচুর হয়।

  • আনারস: মধুপুরের আনারস ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের সনদ পেয়েছে, নিবন্ধন নম্বর জিআই-৫২। ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৯৪২ সালে মধুপুরের ইদিলপুর গ্রামে গারো সম্প্রদায়ের মিজি দয়াময়ী সাংমা ভারতের মেঘালয় থেকে চারা এনে প্রথম আনারস চাষ শুরু করেন। কৃষি বিভাগের তথ্য উদ্ধৃত করে দ্য ডেইলি স্টার বাংলা জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ মৌসুমে জেলায় প্রায় ৭,৭৯৪ হেক্টর জমিতে আনারস চাষ হয়েছে এবং উৎপাদন ছিল প্রায় ২.৮৮ লাখ টন; এর আগের মৌসুমে জেলার ৭,৭৭৩ হেক্টরের মধ্যে ৬,৬৪০ হেক্টরই ছিল মধুপুরে। মধুপুরের জলছত্র আনারসের হাট এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় আনারসের বাজার।
  • কাঁঠাল: জেলা বাতায়ন মধুপুর, সখিপুর, মির্জাপুর ও ঘাটাইলের পাহাড়ি এলাকাকে কাঁঠালের বড় উৎস বলে উল্লেখ করেছে। পরিবহন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ঘাটতিতে মৌসুমে অনেক কাঁঠাল নষ্ট হয় — এই সমস্যার কথাও সেখানে আছে।
  • কলা: ঘাটাইল, সখিপুর ও কালিহাতীর রপ্তানিপণ্যের তালিকায় কলা আছে। ডেইলি স্টারের একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশি লাভের আশায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক চাষি কলা ছেড়ে আনারসের দিকে ঝুঁকেছেন।

ফলের মৌসুমে একসঙ্গে বেশি উৎপাদন, হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার অভাব এবং বন্যা বা টানা বৃষ্টিতে পরিবহন বিঘ্নিত হলে দাম পড়ে যাওয়া — এসব চাষিদের পুরোনো অভিযোগ। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী মধুপুর থেকে রেশম, কাসাভা, তুলা ও মধুও বাইরে যায়, আর সেখানকার রাবার বাগান জেলার অর্থনীতিতে আরেকটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। বীজ উৎপাদনে কাকরাইদ বীজ উৎপাদন খামার-এর ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য।

তাঁতশিল্প: টাঙ্গাইলের পরিচয়

টাঙ্গাইলের নাম শুনলেই যে পণ্যটি মনে আসে, তা টাঙ্গাইল শাড়ি। তাঁতশিল্প বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কুটিরশিল্পগুলোর একটি, আর টাঙ্গাইল তার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

  • কোথায় বোনা হয়: দেলদুয়ারের পাথরাইল ইউনিয়ন প্রধান কেন্দ্র; এর বাইরে টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতীতে বড় তাঁতপল্লি আছে। জেলা বাতায়ন অনুযায়ী পাথরাইল, নলশোধা ও বাজিতপুরে বসাক সম্প্রদায়ের তাঁতিদের সংখ্যা বেশি, আর কালিহাতীর বল্লা ও রতনগঞ্জে মুসলিম কারিগর রয়েছেন হাজারেরও বেশি। বাংলাপিডিয়া বল্লার সুতি শাড়িকে বিশেষভাবে বিখ্যাত বলেছে।
  • কতজন যুক্ত: বিভিন্ন সময়ের হিসাব ভিন্ন। জেলা বাতায়নে উদ্ধৃত পরিসংখ্যান ব্যুরোর একটি তারিখবিহীন হিসাবে ৩৪,৬৭৮টি তাঁতে প্রায় ৭৬ হাজার তাঁতি কাজ করতেন, যার প্রায় ৭ হাজার তাঁত তখন বন্ধ ছিল। ২০১৩ সালের একটি জরিপের বরাতে প্রায় ৬০ হাজার তাঁতের কথা পাওয়া যায়। জেলা প্রশাসনের জিআই-বিষয়ক নথি অনুযায়ী তাঁতি, মালিক ও ব্যবসায়ী মিলিয়ে প্রায় ৩ লাখ ২৫ হাজার মানুষ এই খাতের সঙ্গে জড়িত।
  • স্বীকৃতি: ২০২৪ সালে টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইউনেস্কো "টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি বয়নশিল্প"-কে মানবতার অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক তালিকায় যুক্ত করে।
  • চ্যালেঞ্জ: সুতা ও রঙ বাইরে থেকে বেশি দামে কিনতে হয়, আর বিপণন ব্যবস্থা মহাজনদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাঁতিরা লাভের বড় অংশ পান না — জেলা বাতায়নে এই দুটি সমস্যার কথা বিশেষভাবে বলা আছে।

শাড়ির ধরন, ইতিহাস ও কেনার পরামর্শ বিস্তারিত পাবেন টাঙ্গাইল শাড়ি গাইড-এ। শাড়ির বাইরে লুঙ্গি ও গামছার মতো মোটা কাপড়ও জেলার বিভিন্ন গ্রামে তৈরি হয়।

কাঁসা-পিতল, মৃৎশিল্প ও অন্যান্য কুটিরশিল্প

  • কাঁসা-পিতল: টাঙ্গাইল সদরের কাগমারী ও মগড়ার কর্মকারদের কাঁসার বাসন একসময় পুরো উপমহাদেশে পরিচিত ছিল। এখনো সেখানে কলসি, থালা, বাটি, ঘটি, ঘণ্টা, করতালের মতো জিনিস তৈরি হয়। তবে তামা-দস্তার মতো কাঁচামালের উচ্চমূল্যে শিল্পটি সংকটে; দেশভাগের পর বহু দক্ষ পরিবার ভারতে চলে যাওয়াও এর একটি কারণ। বিস্তারিত: কাগমারীর কাঁসা-পিতল।
  • মৃৎশিল্প: গোপালপুর, কালিহাতীর বল্লা, সদরের করটিয়া ও মির্জাপুরের জামুর্কীসহ বিভিন্ন কুমারপাড়ায় হাঁড়ি-পাতিল, সানকি, দইয়ের পাত্র, মটকি থেকে শুরু করে প্রতিমা ও খেলনা তৈরি হয়।
  • বাঁশ-বেত ও শীতলপাটি: ডালা, কুলা, চালুনি, চাটাইয়ের পাশাপাশি এলাসিনসহ কয়েকটি এলাকার পাটিয়ালরা নকশাদার শীতলপাটি বোনেন। দেখুন বাঁশ-বেতের তৈজসপত্র।
  • কাঠশিল্প ও নৌকা তৈরি: মধুপুর, ধনবাড়ী, কালিহাতী, ঘাটাইল, মির্জাপুর ও করটিয়ায় আসবাব তৈরির কাজ উল্লেখযোগ্য; নদীতীরে নৌকা তৈরিও হয়।
  • বিড়ি: জেলা বাতায়ন অনুযায়ী টাঙ্গাইলে অনেক বিড়ি কারখানা গড়ে উঠেছে, যেখানে নারী-পুরুষ উভয়েই কাজ করেন।

মিষ্টি ও দুগ্ধজাত পণ্য

দুধ, দই, ঘি ও মিষ্টান্নের জন্য টাঙ্গাইলের সুনাম পুরোনো। পোড়াবাড়ির চমচম ও মির্জাপুরের জামুর্কীর সন্দেশ দুটোই জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। জেলার মোট চারটি নিবন্ধিত জিআই পণ্য ও প্রক্রিয়াধীন আবেদনগুলোর বিবরণ আছে টাঙ্গাইলের জিআই পণ্য পাতায়। ঘোষ ও পাল সম্প্রদায় বংশপরম্পরায় এই পেশার সঙ্গে যুক্ত, আর জেলা বাতায়ন নতুন ডেইরি ও হাঁস-মুরগির খামারের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছে।

শিল্পকারখানা ও মহাসড়ককেন্দ্রিক বিনিয়োগ

বড় শিল্পের দিক থেকে টাঙ্গাইল দীর্ঘদিন পিছিয়ে ছিল। জেলা বাতায়নের বিবরণে পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত টাঙ্গাইল কটন মিলস ও স্বাধীনতার পরের ইসলাম জুট মিলসকে জেলার প্রধান বৃহৎ শিল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিল্পকারখানার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে মির্জাপুরের গোড়াই শিল্প এলাকা। বাংলাপিডিয়া মির্জাপুরে কটন মিল, স্পিনিং মিল, পাটকল, বিস্কুট ও ব্যাটারি কারখানার কথা উল্লেখ করেছে। এর বাইরে তারুটিয়ায় বিসিকের শিল্প এলাকা রয়েছে। জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত মহাসড়ক চার লেন হওয়ায় এই করিডোরে যোগাযোগ সহজ হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: টাঙ্গাইলে এখন পর্যন্ত কোনো চালু বা নির্মাণাধীন সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল নেই, আর বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কোনো পার্কও নেই। "টাঙ্গাইল অর্থনৈতিক অঞ্চল" নামটি বেজার বিবেচনাধীন তালিকায় একসময় এসেছিল, কিন্তু বাস্তবায়নের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ব্যবসা-বাণিজ্য ও হাটবাজার

জেলার বাণিজ্যের বড় অংশ চলে হাটকেন্দ্রিক। মধুপুরের জলছত্র ও গারো বাজারের মতো হাটে আনারস-কাঁঠাল কেনাবেচা হয়। জেলা শহরের ব্যাংক, দোকান ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবেন ব্যাংক ও দোকান ও শোরুম পাতায়।

তথ্যসূত্র

সাধারণ প্রশ্ন

টাঙ্গাইলের মানুষের প্রধান পেশা কী?

টাঙ্গাইলের মানুষের প্রধান পেশা কৃষি। বাংলাপিডিয়ার ২০১১ সালের শুমারিভিত্তিক তথ্যে জেলার আয়ের প্রায় ৫৭ শতাংশ কৃষি থেকে এবং প্রায় ১৩ শতাংশ ব্যবসা থেকে আসত।

টাঙ্গাইলের প্রধান ফসল কী কী?

প্রধান ফসল ধান, পাট, আখ, গম, সরিষা ও শাকসবজি। মধুপুর গড় অঞ্চলে আনারস, কাঁঠাল ও কলা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হয়।

টাঙ্গাইল শাড়ি কোথায় তৈরি হয়?

টাঙ্গাইল শাড়ির প্রধান কেন্দ্র দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়ন। এ ছাড়া টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতীর বল্লা-রতনগঞ্জ এলাকাতেও বহু তাঁত রয়েছে।

মধুপুরের আনারস কবে জিআই স্বীকৃতি পায়?

মধুপুরের আনারস ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জিআই সনদ পায়; এর নিবন্ধন নম্বর জিআই-৫২।

টাঙ্গাইলে কি কোনো অর্থনৈতিক অঞ্চল আছে?

না। এখন পর্যন্ত টাঙ্গাইলে কোনো চালু সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল বা হাই-টেক পার্ক নেই। শিল্পকারখানা মূলত মির্জাপুরের গোড়াই এলাকা ও তারুটিয়ার বিসিক শিল্প এলাকায় কেন্দ্রীভূত।

টাঙ্গাইলের কাঁসা-পিতল শিল্প কোথায়?

টাঙ্গাইল সদরের কাগমারী ও মগড়া গ্রাম কাঁসা-পিতল শিল্পের জন্য পরিচিত। কাঁচামালের উচ্চমূল্যের কারণে শিল্পটি এখন সংকটে।

মূল সূত্র: টাঙ্গাইল জেলা তথ্য বাতায়ন — ব্যবসা বাণিজ্য

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি