মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ
টাঙ্গাইল শহরের ডিসি লেক

টাঙ্গাইল ভ্রমণ গাইড

ডিসি লেক

DC Lake

ছবি: NahidHossain · CC BY-SA 4.0 · উইকিমিডিয়া কমন্স

ধরন
বিনোদন ও পার্ক
অবস্থান
টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল
শহর থেকে (সোজা দূরত্ব)
প্রায় ১.৬ কিমি
সেরা সময়
সারা বছর
পড়তে লাগবে
২ মিনিট

টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কাছে লেক ও উদ্যান; হাঁটার পথ, বসার জায়গা আর শিশু পার্কসহ শহরবাসীর বিকেলের প্রিয় জায়গা।

পরিচিতি

ডিসি লেক টাঙ্গাইল শহরের ভেতরে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কাছে একটি লেক আর তাকে ঘিরে গড়ে ওঠা উদ্যান। জেলা প্রশাসনের দর্শনীয় স্থানের তালিকায় এর নাম একেবারে শুরুর দিকেই আছে। তালিকাটি জেলা তথ্য বাতায়নে প্রকাশিত।

শহরের মাঝখানে বলে সারাদিন ঘোরাঘুরির পর বা ট্রেন-বাস ধরার আগে অল্প সময়ের জন্যও এখানে আসা যায়। শহরের মানুষ বিকেলে হাঁটতে, পরিবার নিয়ে বসতে, আর শিশুদের খেলাতে এখানে আসেন।

যা যা দেখবেন

লেকপাড়ের হাঁটার পথ

লেকের পাড় ধরে হাঁটার পথ আর বসার জায়গা আছে। পানির ধারে একটু জিরিয়ে নেওয়ার জন্য জায়গাটা বেশ উপযোগী।

শিশু পার্ক

লেকের পাশে শিশুদের জন্য আলাদা একটি পার্ক আছে। কোন কোন রাইড চালু আছে, তা গিয়ে জেনে নিতে হবে।

ভ্রমণের সেরা সময়

সারা বছরই যাওয়া যায়। গরমের দিনে রোদ পড়ে আসার পর বিকেল আর সন্ধ্যাটাই সবচেয়ে আরামের। শীতের বিকেলেও লেকপাড়ে বসতে ভালো লাগে। ছুটির দিনে ভিড় বেশি হতে পারে।

খাওয়াদাওয়া

লেকটি শহরের ভেতরে, তাই আশপাশে সাধারণ খাবারের দোকান সহজেই পাওয়া যায়। টাঙ্গাইলে এলে জেলার নিজস্ব মিষ্টি পোড়াবাড়ির চমচম চেখে দেখতে পারেন।

থাকার ব্যবস্থা

লেকটি টাঙ্গাইল শহরেই, তাই শহরের যেকোনো জায়গায় থেকে এখানে আসা যায়। জেলার অন্য দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দিনের শেষে বিশ্রামের জন্য এটি মানানসই।

ভ্রমণ টিপস ও সতর্কতা

  • শিশুদের পানির ধারে একা ছাড়বেন না।
  • খাবারের মোড়ক বা বোতল লেকে বা ঘাসে ফেলবেন না, নির্ধারিত জায়গায় ফেলুন।
  • সন্ধ্যার পর গেলে খোলার সময় আগে জেনে নিন।
  • প্রবেশ ফি থাকলে বা বদলালে তা স্থানীয়ভাবে জেনে নিন। এই তথ্য আমাদের যাচাই করা নয়।
  • অন্যদের ছবি তোলার আগে অনুমতি নিন।

ডিসি লেক-এ কীভাবে যাবেন

  1. ঢাকা থেকে

    মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে টাঙ্গাইলগামী বাসে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক ধরে টাঙ্গাইল শহরে আসা যায়। জেলা তথ্য বাতায়ন অনুযায়ী ট্রেনেও টাঙ্গাইল আসা যায়। সময়সূচি বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন সেবায় দেখে নিন।

  2. টাঙ্গাইল শহর থেকে

    লেকটি শহরের ভেতরে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কাছে। শহরের যেকোনো জায়গা থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় "ডিসি লেক" বললেই চালকেরা চিনে নেন।

  3. ডিসি লেক

    টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, টাঙ্গাইল

ভাড়া, সময় ও রাস্তার অবস্থা বদলায় — রওনা দেওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে নিশ্চিত হয়ে নিন।

সাধারণ প্রশ্ন

ডিসি লেক কোথায় অবস্থিত?

টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কাছে।

ডিসি লেকে কী কী আছে?

লেকপাড়ে হাঁটার পথ আর বসার জায়গা, আর পাশে শিশুদের জন্য একটি পার্ক।

ডিসি লেক-এ কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে: মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে টাঙ্গাইলগামী বাসে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক ধরে টাঙ্গাইল শহরে আসা যায়। জেলা তথ্য বাতায়ন অনুযায়ী ট্রেনেও টাঙ্গাইল আসা যায়। সময়সূচি বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন সেবায় দেখে নিন। টাঙ্গাইল শহর থেকে: লেকটি শহরের ভেতরে, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কাছে। শহরের যেকোনো জায়গা থেকে রিকশা বা অটোরিকশায় "ডিসি লেক" বললেই চালকেরা চিনে নেন।

ডিসি লেক ভ্রমণের উপযুক্ত সময় কখন?

সারা বছর; বিকেল ও সন্ধ্যা

তথ্যসূত্র

  • টাঙ্গাইল জেলা তথ্য বাতায়ন — জেলা পরিচিতি ও দর্শনীয় স্থানের তালিকা
  • OpenStreetMap — অবস্থান

লেখাটি এসব সূত্রের তথ্য মিলিয়ে আমাদের নিজের ভাষায় লেখা। কোনো ভুল চোখে পড়লে জানান।

সূত্র: জেলা প্রশাসনের দর্শনীয় স্থানের তালিকা (tangail.gov.bd); অবস্থান OpenStreetMap· শেষ যাচাই: ১৭ অক্টোবর ২০২৬

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ

কাছের আরও দর্শনীয় স্থান

সব দেখুন
বিনোদন ও পার্ক•টাঙ্গাইল সদর

টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান

টাঙ্গাইল শহরের মাঝখানে নিরালা মোড়ের কাছে পৌরসভার উদ্যান; পূর্বে বড় মুক্তমঞ্চ, উত্তরে শহীদ মিনার, মেলা-অনুষ্ঠানে শহরের প্রধান মিলনস্থল।

সন্তোষে মওলানা ভাসানীর মাজার
ঐতিহাসিক স্থাপনা•টাঙ্গাইল সদর

মওলানা ভাসানীর মাজার, সন্তোষ

টাঙ্গাইল শহরের উত্তর-পশ্চিমে সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সমাধি, পাশেই ঐতিহাসিক দরবার হল ও পীর শাহ জামান দিঘি।

করটিয়া জমিদার বাড়ি (পন্নী পরিবারের প্রাসাদ)
ঐতিহাসিক স্থাপনা•টাঙ্গাইল সদর

করটিয়া জমিদার বাড়ি

টাঙ্গাইল সদরের করটিয়ায় পন্নী জমিদারদের প্রাচীরঘেরা বাড়ি; আছে রোকেয়া মহল, লোহার ঘর, দাউদ মহল আর সা'দত কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চাঁদ মিয়ার স্মৃতি।