টাঙ্গাইলে এ বছর ১ হাজার ৩৫৭টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশেষ কারণে এবার দুই দিন সপ্তমী পূজা পালিত হয়।
টাঙ্গাইলে এ বছর শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী পূজা পালিত হয়েছে জেলার ১ হাজার ৩৫৭টি মণ্ডপে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল থেকে সব বয়সের ভক্তরা মণ্ডপে আসতে শুরু করেন এবং শাস্ত্রীয় রীতি মেনে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
ভোরে নবপত্রিকা স্নান ও মণ্ডপে প্রবেশের মধ্য দিয়ে দিনের প্রধান আচার শুরু হয়। চন্ডীপাঠ, দেবীর চক্ষুদান ও প্রাণপ্রতিষ্ঠার পর পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণ, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি এবং ঢাকের বাদ্যে মণ্ডপগুলো মুখরিত হয়ে ওঠে। ফল ও মিষ্টিসহ নানা উপকরণে দেবীকে নৈবেদ্য দেওয়া হয় এবং ভক্তরা বিশ্বশান্তি কামনায় পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন। পূজা শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
এ বছর সপ্তমী তিথি পরপর দুটি সূর্যোদয় স্পর্শ করায় পঞ্জিকা অনুযায়ী রবিবার (১৮ অক্টোবর) 'অধিক সপ্তমী' পূজার নির্দেশ দেওয়া হয়। শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোনো তিথি যদি দুটি সূর্যোদয় স্পর্শ করে, তাহলে দ্বিতীয় দিনের সূর্যোদয়েও সেই তিথির আচার পালনের অধিকার থাকে। সেই বিধান মেনে রবিবারও একই মণ্ডপগুলোতে অধিক সপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
তবে অধিক সপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান বা প্রাণপ্রতিষ্ঠার মতো আচার পুনরায় করা হয় না। এদিন মূলত দেবীর নিত্যোপচার পূজা, পুষ্প-ধূপ-দীপ-নৈবেদ্য নিবেদন, চন্ডীপাঠ, আরতি ও অঞ্জলি সপ্তমী তিথি থাকা পর্যন্ত সম্পন্ন করা হয়। অধিক পূজার পর সন্ধিপূজাও অনুষ্ঠিত হয়।
কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি