
জেলার ১২ উপজেলায় এবার ১৩৫৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব হবে, সবচেয়ে বেশি মির্জাপুরে। ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী, ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন।
টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় এ বছর মোট ১ হাজার ৩৫৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। উৎসব শুরুর আগে প্রতিমায় রং ও অলংকরণের কাজ শেষ করতে মৃৎশিল্পীরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করছেন।
উপজেলাভিত্তিক মণ্ডপের সংখ্যা
- মির্জাপুর: ২৭০ (জেলায় সর্বোচ্চ)
- টাঙ্গাইল সদর: ২৩৩
- কালিহাতী: ১৮২
- নাগরপুর: ১৩৮
- দেলদুয়ার: ১২৮
- ঘাটাইল: ৯৪
- বাসাইল: ৮১
- মধুপুর: ৬০
- গোপালপুর: ৫৭
- সখীপুর: ৪৪
- ধনবাড়ী: ৩৬
- ভূঞাপুর: ৩৪ (সবচেয়ে কম)
পঞ্জিকা অনুযায়ী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে ঘটস্থাপনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসব শেষ হবে।
জেলা শহরের কালীবাড়ি, আদালতপাড়া, থানাপাড়া, সাবালিয়া, রেজিস্ট্রিপাড়া ও কলেজপাড়ার মণ্ডপগুলোতে বাঁশ, কাঠ, খড় ও মাটির কাঠামোয় গড়া দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের প্রতিমায় এখন চলছে রঙের কাজ। প্রতিমাশিল্পীরা জানিয়েছেন, কাঁচামালের দাম বাড়ায় আগের বছরগুলোর তুলনায় তাঁদের লাভ কমে গেছে।
মির্জাপুরে কুমুদিনী হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা রণদাপ্রসাদ সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপটি উপজেলার সবচেয়ে বড় আয়োজন হিসেবে পরিচিত। দেশ-বিদেশের ভক্তরা সেখানে আসেন।
উৎসব নির্বিঘ্ন রাখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের একাধিক সভা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি পূজা কমিটির স্বেচ্ছাসেবকেরা দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার জানিয়েছেন, মণ্ডপগুলোতে কঠোর নজরদারি থাকবে, গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে, বড় মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে এবং একটি বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তথ্যসূত্র
- বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম — প্রকাশ 2026-10-13
- দৈনিক সংবাদ — প্রকাশ 2026-10-07
মূল সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি