
৭ অক্টোবর বিকেলে কয়েক মিনিটের ঝড়ে মধুপুরের পাহাড়ি এলাকায় ২৭ হেক্টর কলা ও ২৬ হেক্টর পেঁপে বাগানের ক্ষতি হয়েছে। আনারস ও সবজির ক্ষতির হিসাব চলছে।
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে কয়েক মিনিটের আকস্মিক ঝড় ও বৃষ্টিতে প্রায় ৫৩ হেক্টর জমির কলা ও পেঁপে বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের প্রাথমিক হিসাবে এর মধ্যে কলা ২৭ হেক্টর এবং পেঁপে ২৬ হেক্টর। আনারস ও বিভিন্ন সবজিখেতেও ক্ষতি হয়েছে, তবে সেগুলোর পরিমাণ এখনো নিরূপণ চলছে।
মধুপুরের পাহাড়ি অঞ্চলের শোলাকুড়ি, ফুলবাগচালা, অরণখোলা, ভুটিয়া ও কুড়াগাছা এলাকায় ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। স্থানীয়দের বরাতে আজকের পত্রিকা জানিয়েছে, ঝড়ে হাজারো কলাগাছ মাঝখান থেকে ভেঙে গেছে বা শিকড়সহ উপড়ে পড়েছে। ফল ধরা কয়েক শ পেঁপেগাছও মাটিতে লুটিয়েছে। কোনো কোনো বাগানে ফলন্ত কলাগাছের প্রায় সবই নষ্ট হয়েছে।
কৃষকেরা জানান, ফসল তোলার সময় ঘনিয়ে আসছিল। অনেকে ঋণ নিয়ে কিংবা সঞ্চয় ভেঙে কলা, আনারস ও পেঁপে চাষে টাকা খাটিয়েছিলেন। কয়েক মিনিটের ঝড়ে সেই বিনিয়োগ এখন ঝুঁকিতে পড়েছে। হরিণধরা গ্রামের এক কৃষক জানিয়েছেন, তাঁর পুঁজির প্রায় অর্ধেকই তিনি আনারস ও কলা চাষে বিনিয়োগ করেছিলেন।
কৃষি বিভাগের বক্তব্য
মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তথ্যে পাঁচটি এলাকায় ২৭ হেক্টর কলা ও ২৬ হেক্টর পেঁপে বাগান বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চূড়ান্ত হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি, সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বিভাগের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ এখনো জানানো হয়নি।
তথ্যসূত্র
- আজকের পত্রিকা — প্রকাশ 2026-10-07
- ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা — প্রকাশ 2026-10-08
মূল সূত্র: আজকের পত্রিকা
কোনো ভুল চোখে পড়লে আমাদের জানান — আমরা স্বচ্ছভাবে সংশোধন করি। সম্পাদকীয় নীতি