মূল কনটেন্টে যান

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬•

টাঙ্গাইলTANGAIL.NET
নোটিশ

ধলিশার পটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

Kholishar Potol Nongovt. Primary School · ১১নং গিদারী, গাইবান্ধা সদর, গাইবান্ধা

বিদ্যালয় কোড 152125সদ্য জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়

ধলিশার পটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১১নং গিদারী এলাকার একটি সদ্য জাতীয়করণকৃত (২০১৩) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যব্যবস্থা IPEMIS-এ এর বিদ্যালয় কোড ১৫২১২৫। ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের হিসাবে এখানে শিক্ষক ৩ জন, শিক্ষার্থী ১২৪ জন। IPEMIS-এর তথ্যে বিদ্যালয়টিতে বিদ্যুৎ সংযোগ, ইন্টারনেট, খেলার মাঠ ও লাইব্রেরি আছে।

এক নজরে

বিদ্যালয় কোড (IPEMIS)
152125
ধরন
সদ্য জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়
শিক্ষক (২০২৫–২৬)
৩ জন
শিক্ষার্থী (২০২৫–২৬)
১২৪ জন
ইউনিয়ন / ওয়ার্ড
১১নং গিদারী
উপজেলা ও জেলা
গাইবান্ধা সদর, গাইবান্ধা (রংপুর বিভাগ)

বিদ্যালয়ে কী কী সুবিধা আছে?

  • বিদ্যুৎ সংযোগ
  • ইন্টারনেট
  • খেলার মাঠ
  • লাইব্রেরি

IPEMIS-এর "বহুল ব্যবহৃত সার্চ" অনুযায়ী — বিদ্যালয়ের দেওয়া তথ্য। তালিকায় না থাকা মানেই সুবিধা নেই, এমন নয়।

ম্যাপে খুঁজুন

১১নং গিদারী ও আশপাশের অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়

গাইবান্ধা সদর উপজেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়

ধলিশার পটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: সাধারণ প্রশ্ন

ধলিশার পটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?

১১নং গিদারী, গাইবান্ধা সদর, গাইবান্ধা (রংপুর বিভাগ)।

ধলিশার পটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর বিদ্যালয় কোড কত?

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের IPEMIS অনুযায়ী বিদ্যালয় কোড 152125। এটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি কোড — মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানের EIIN নয়।

ধলিশার পটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোন ধরনের বিদ্যালয়?

সদ্য জাতীয়করণকৃত (২০১৩) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ধলিশার পটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এ কতজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আছে?

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে IPEMIS-এর হিসাবে শিক্ষক ৩ জন, শিক্ষার্থী ১২৪ জন।

ধলিশার পটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এ কী কী সুবিধা আছে?

IPEMIS-এর তথ্যে: বিদ্যুৎ সংযোগ, ইন্টারনেট, খেলার মাঠ ও লাইব্রেরি।

ধলিশার পটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর বিষয়ে কোথায় যোগাযোগ করব?

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, গাইবান্ধা সদর — ০১৭১৮৬২৮৫৩৯ (IPEMIS-এ দপ্তরের প্রকাশিত নম্বর)।

তথ্যের উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর — IPEMIS, আনা হয়েছে ১৭ অক্টোবর ২০২৬। বিদ্যালয়ের দেওয়া তথ্য — আমাদের টিম সরেজমিনে যাচাই করেনি। প্রধান শিক্ষক বা কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত নম্বর দেখানো হয় না।